Published : 09 Sep 2025, 12:06 AM
ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া বায়রু পার্লামেন্টে এমপি’দের আস্থা ভোটে হেরে গেছেন। তার এই পরাজয়ে ফ্রান্সে রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর হয়েছে।
দুই বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এখন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁকে নতুন করে বেছে নিতে হবে দেশের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রীকে কিংবা ডাকতে হবে আগাম নির্বাচন।
প্রধানমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া বায়রু তার বাজেট পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ব্যাপক বিরোধিতার মুখে অচলাবস্থা নিরসনে আকস্মিকভাবেই আস্থাভোট আহ্বান করেছিলেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রীকে উৎখাত করা এবং তার সংখ্যালঘু সরকারকে টেনে নামাতে পার্লামেন্টে ভোট হয়। এমপিদের ৩৬৪-১৯৪ ভোটে হেরে যান বায়রু।
৭৪ বছর বয়সী ফ্রাঁসোয়া বাইরু মাত্র ৯ মাস আগে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তাকে এখন পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে।
বায়রু তার সরকারের ব্যয় কমানো এবং ঋণের বোঝা সামাল দেওয়ার পরিকল্পনার পক্ষে যথেষ্ট সমর্থন আদায়ের চেষ্টা নিয়েছিলেন আস্থাভোট ডেকে।
তবে বিরোধী দলগুলো আগেই বলেছিল তারা তাকে সমর্থন করবে না। বিরোধী গ্রিন পার্টির নেতা বায়রুর ক্ষমতাচু্যেতিই স্বস্তি দিতে পারে বলে মন্তব্য করেন।
আবার কট্টর ডানপন্থি দল ন্যাশনাল র্যালির নেতা মারিন ল্য পেন নতুন নির্বাচনের ডাক দেন। বামপন্থি আরেক দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী বায়রু এবং প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁ দুইজনকেই দেশের জন্য বিপদ আখ্যা দেন।
এ পরিস্থিতিতে আস্থাভোটে বায়রুর হার অবশ্যম্ভাবী ছিল। মাক্রোঁ এখন তার নিজের মধ্যপন্থি সংখ্যালঘু ক্ষমতাসীন দল থেকে একজন রাজনীতিবিদকে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য মনোনীত করতে পারেন অথবা কনজারভেটিভদের মধ্য থেকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করতে পারেন।
বিবিসি জানিয়েছে, কয়েকদিনের মধ্যেই মাক্রোঁ নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করবেন বলে জানিয়েছে এলিসি প্রাসাদ। নতুন সরকারের সবচেয়ে গুরুদ্বায়িত্ব হবে বাজেট পাস করা। ফলে নতুন প্রধানমন্ত্রীও বায়রুর মতো একই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন।