Published : 26 Mar 2026, 05:33 PM
চার সপ্তাহ শেষ হতে চলল, কিন্তু ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শেষ হওয়ার কোনো লক্ষণ নেই।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এখন বলছেন, ওয়াশিংটন তেহরানের সঙ্গে আলোচনার চালাচ্ছে। ইরান তার এ দাবি উড়িয়ে দিয়েছে। এসবের মধ্যেই পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক হাজার অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন শুরু করেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ বিমান হামলা শুরু করেছিল, মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে এসে সেই সংঘাতের আকার এখন এতটাই ব্যাপক হয়ে দাঁড়িয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রকে এখন মধ্যপ্রাচ্যে এত সেনা মোতায়েন করতে হচ্ছে, ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর যা আর দেখা যায়নি, বলছে আল জাজিরা।
আপাতত বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন সংশ্লিষ্ট আক্রমণকারী নৌ বহরটি যুদ্ধক্ষেত্রে সক্রিয় রয়েছে। মেরামতের জন্য সাময়িকভাবে রণাঙ্গণের বাইরে চলে যেতে হয়েছে অপর বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড-কে।
ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) তথ্যমতে, এ পর্যন্ত ইরানের ৯ হাজারেরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালানো হয়েছে।
এর মধ্যে সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সঙ্গে সংযোগ থাকা স্থাপনা, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সদর দপ্তর, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্র এবং নৌবাহিনীর নানান স্থাপনা ও সম্পদও আছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, তাদের হামলায় ইরানের অন্তত ১৪০টি নৌযান ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।
এসব হামলার জবাবে ইরানও প্রতিদিন ইসরায়েল, উপসাগরীয় আরব দেশগুলো ও মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে এবং বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য ‘হরমুজ প্রণালি’ কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে।
বিশ্বের মোট তেলের ২০ শতাংশই সরবরাহ হয় এই সঙ্কীর্ণ জলপথ দিয়ে। আর এটিই এখন যুদ্ধের মূল কৌশলগত কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এসবের মধ্যেই ওয়াশিংটনকে এখন তাদের স্থল উপস্থিতি শক্তিশালী করতে হচ্ছে।
প্রথমবার হামলা শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার উদ্দেশ্য খোলামেলাভাবে তুলে ধরেছিলেন।
জানুয়ারির শেষদিকে তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “ইরানের দিকে আমাদের বিশাল এক বাহিনী যাচ্ছে। অনেক জাহাজ সেদিকে পাঠানো হয়েছে। এই মুহূর্তে একটি বড় নৌবহর সেদিকে এগিয়ে যাচ্ছে; দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কী ঘটে।”
কিছুদিন আগে ইরানের খার্ক দ্বীপে হামলার পর ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ পোস্টে লেখেন, তার বাহিনী সেখানকার সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলো ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দিয়েছে। ইরান যদি হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তাহলে পরবর্তীতে খার্ক দ্বীপের তেল অবকাঠামোকে নিশানা করা হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারিও দেন।
মঙ্গলবার পেন্টাগন মার্কিন সেনাবাহিনীর বিশেষ সেনাদল ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের আনুমানিক ২ হাজারের মতো সৈন্যকে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বলে মার্কিন গণমাধ্যমগুলোতে খবর বেরিয়েছে। তাদের সাথে যুক্ত হচ্ছে প্রশান্ত মহাসাগরের দুই প্রান্ত থেকে যাওয়া দুটি মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কংগ্রেসের এক ব্রিফিংয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে হয়তো ইরানের ভেতরে ঢুকে সেখানে থাকা পারমাণবিক উপাদানগুলো নিজেদের হাতে নিতে হবে।
“লোকজনকে সেখানে গিয়ে ওই উপাদানগুলো উদ্ধার করে নিয়ে আসতে হবে,” কারা সেই লোকজন সে বিষয়ে অবশ্য তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।
আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও ইরানে কোনো ধরনের স্থল অভিযানের ঘোষণা না এলেও মার্কিন মেরিন উভচর বাহিনী, সেনা প্যারাট্রুপারের বিশেষ দল এবং একটি বিভাগীয়-পর্যায়ের কমান্ড কাঠামোকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র যে তা অভিযান সম্প্রসারণের কথা ভাবছে, সেই ইঙ্গিতই মিলছে।
তিন সেনাদল, একই রণাঙ্গন
উপসাগরীয় অঞ্চলের দিকে এগিয়ে যাওয়া সেনাদের যে তিনটি দলকে দেখা যাচ্ছে, তাদের যাত্রা শুরু, পথ এবং পৌঁছানোর সময়ও ভিন্ন।
এর মধ্যে প্রথম দলটি হলো ‘ট্রিপলি অ্যামফিবিয়াস রেডি গ্রুপ’, যার কেন্দ্রে রয়েছে আমেরিকা-শ্রেণির হামলাকারী জাহাজ ‘ইউএসএস ট্রিপলি’ এবং ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট (এমইইউ)।
আদেশ পাওয়ার পর গত ১৩ মার্চ জাপানের সাসেবো থেকে বেরিয়ে পড়া এই দলটি মালাক্কা উপকূল পাড়ি দেওয়ার পর ২৩ মার্চ ব্রিটিশ-ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়াতে ছিল; মার্চের একদম শেষদিকে বা এপ্রিলের শুরুতে এটি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) আওতাধীন এলাকায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দ্বিতীয় যে দলটি যাচ্ছে সেটি হল ‘বক্সার অ্যামফিবিয়াস রেডি গ্রুপ’, যাতে আছে ওয়াসপ-শ্রেণির আক্রমণকারী জাহাজ ইউএসএস বক্সার ও ১১তম এমইইউ ইউনিট।
ক্যালিফোর্নিয়ার স্যান ডিয়েগো থেকে ১৯-২০ মার্চের দিকে রওনা হওয়া এই দলটি প্রায় ২২,২০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এপ্রিলের মাঝামাঝি নাগাদ যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছাতে পারে।
তৃতীয় যে বহরটিকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হচ্ছে সেটি হল- নর্থ ক্যারোলাইনার ফোর্ট ব্র্যাগে থাকা ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের ইমিডিয়েট রেসপন্স ফোর্স; এদের প্রায় ২ হাজার সেনা উপসাগরে মার্কিন বাহিনীর সর্বশেষ সংযোজন।
মেরিনদের দুটি দলে সাড়ে চার হাজার মেরিন ও নাবিক থাকার কথা। তাদের সঙ্গে ৮২তম এয়ারবোর্নের সেনারা যুক্ত হলে মোট ৭ হাজারের মতো অতিরিক্ত সৈন্য ওই অঞ্চলে মোতায়েন হতে যাচ্ছে।
ইউএসএস ট্রিপলি ও ৩১তম এমইইউ
ইউএসএস ট্রিপলি হলো আমেরিকা-শ্রেণির একটি উভচর আক্রমণকারী জাহাজ, যা উপসাগরের দিকে যাওয়া দুটি মেরিন জাহাজের মধ্যে বড়।
এটি ছিল পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর অগ্রবর্তী উপস্থিতির অংশ। ৩১তম এমইইউ-তে প্রায় ২ হাজার ২২০ মেরিন ও নৌসেনা রয়েছে, সঙ্গে রয়েছে কামান, উভচর যান ও বিশেষায়িত ইউনিট।
৮৫৬ ফুট লম্বা ও ৪৫ হাজর টন ওজনের এই জাহাজ বিমানবাহী হালকা রণতরি হিসেবে কাজ করতে পারে, যা থেকে এফ-৩৫বি যুদ্ধবিমান পরিচালনার পাশাপাশি আকাশ ও সমুদ্রপথে মেরিনদের মোতায়েন করাও সম্ভব।
৩১তম এমইইউ হলো মেরিন কোরের একমাত্র স্থায়ী অগ্রবর্তী এক্সপেডিশনারি ইউনিট। ১৯৯৮ সালে অপারেশন ডেজার্ট ফক্সের সময় কুয়েতে টহল দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে এই ইউনিটের।
উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের নির্দেশে ইরাকের ওপর চার দিনের বোমাবর্ষণ অভিযানের নাম ছিল ‘অপারেশন ডেজার্ট ফক্স’।
ইউএসএস বক্সার ও ১১তম এমইইউ
দ্বিতীয় উভচর গ্রুপটির কেন্দ্রে রয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার স্যান ডিয়েগোভিত্তিক ওয়াসপ-শ্রেণির জাহাজ ইউএসএস বক্সার। এই দলে আরও রয়েছে যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস কমস্টক ও ইউএসএস পোর্টল্যান্ড। এই বহরই ক্যালিফোর্নিয়ার ক্যাম্প পেন্ডলটনভিত্তিক ১১তম এমইইউ সেনাদলকে বহন করে ।
ইউএসএস বক্সার ১৯ মার্চ স্যান ডিয়েগো ত্যাগ করেছে, মোতায়েনের নির্ধারিত সময়ের তিন সপ্তাহ আগে। ওমান সাগর থেকে প্রায় ২২ হাজার ২০০ কিলোমিটার দূরে থাকায় এই দলটির রণাঙ্গনে পৌঁছাতে ন্যূনতম তিন সপ্তাহ লাগার কথা।
ট্রিপলির মতো বক্সারেও এফ-৩৫বি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার নামতে-উঠতে পারবে। বক্সারে থাকা ১১তম এমইইউ ইউনিটে দুই হাজারের বেশি মেরিন ও নৌসেনা থাকতে পারে। ১৯৯০-৯১ সালের কুয়েত যুদ্ধ এবং ২০০৪ সালে ইরাকের নাজাফ প্রদেশে এদের দীর্ঘ যুদ্ধের রেকর্ড রয়েছে।
৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশন
ফোর্ট ব্র্যাগভিত্তিক এই ডিভিশনটি মার্কিন সেনাবাহিনীর ১৮তম এয়ারবোর্ন কোরের কেন্দ্রীয় সেনাদল। এর ইমিডিয়েট রেসপন্স বাহিনীর আনুমানিক ২ হাজার সদস্যকে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই এয়ারবোর্ন ইউনিটের বিশেষত্ব হলো বিশ্বের যেকোনো স্থানে মাত্র ১৮ ঘণ্টার নোটিশে এরা পৌঁছাতে পারে।
মূলত প্যারাস্যুট দিয়ে নেমে যুদ্ধ, বিমানঘাঁটি দখল, গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সুরক্ষিত করা, আরও সেনা পৌঁছানোর আগে অগ্রবর্তী দলের ভূমিকা পালন করে এই এয়ারবোর্ন ডিভিশন।
তবে এদের সাথে ভারী সাঁজোয়া যান না থাকায় দীর্ঘ সময় এলাকা দখল করে রাখা তাদের পক্ষে কঠিন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নরম্যান্ডি ও নেদারল্যান্ডসে অভিযানের গৌরর রয়েছে এই এয়ারবোর্ন ডিভিশনের। ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ, ২০০১ সালের আফগানিস্তান এবং ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধেও এদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসির) গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডার কাসেম সোলেমানিকে হত্যা করার পর ২০২০ সালের জানুয়ারিতেও এদের মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হয়েছিল।
এই সেনাদলগুলো কী করতে পারবে?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে অতিরিক্ত সেনা যুক্ত হচ্ছে তাদেরকে দিয়ে বড় কোনো স্থল অভিযান সম্ভব নয়, বড়জোর সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযান চালানো যেতে পারে।
ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (আইআইএসএস) ঊর্ধ্বতন ফেলো রুবেন স্টুয়ার্ট আল জাজিরাকে বলেন, এই মুহূর্তে একটি দীর্ঘস্থায়ী স্থল অভিযান হওয়ার সম্ভাবনা কম।
তার যুক্তি হলো, ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের জন্য ১ লাখ ৬০ হাজার সৈন্য লেগেছিল, অথচ ইরান ইরাকের চারগুণ বড় দেশ।
এখন মূলত ঝটিকা অভিযান বা রেইড এবং নির্দিষ্ট কিছু এলাকা দখলের নকশায় সাড়ে তিন হাজারের সামান্য বেশি সেনা (সহযোগী কর্মী বাদে) মোতায়েন করা হয়ে থাকতে পারে, বলেছেন তিনি।
স্টুয়ার্ট বলেন, “যেকোনো দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় ভারী সাঁজোয়া ইউনিট, লজিস্টিকসের বহর ও কমান্ড কাঠামোর অভাব এখানে স্পষ্ট।”
এ সেনাদের দিয়ে তিনটি দৃশ্যপটের কথা ভাবা হতে পারে বলে আভাস মার্কিন কর্মকর্তাদের। এগুলো হচ্ছে- খার্ক দ্বীপ দখল বা অবরোধ, হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানের উপকূলীয় এলাকার নিয়ন্ত্রণ কিংবা ইরানের পারমাণবিক উপাদানগুলো নিজেদের হাতে নেওয়া।
খার্ক দ্বীপটি ইরানের তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। এই দ্বীপ দখল করা প্রযুক্তিগতভাবে সম্ভব হলেও এটি যুদ্ধকে আরও ভয়াবহ করে তুলবে।
অন্যদিকে, নাতাঞ্জ বা ফোরদোর মতো পারমাণবিক কেন্দ্রগুলো থেকে পারমাণবিক উপাদান নিরাপদ করা হবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ, যার জন্য অনেক বড় আকারের স্থায়ী স্থল বাহিনীর প্রয়োজন হবে।
রুবেন স্টুয়ার্টের মতে, হরমুজ প্রণালি সুরক্ষিত করাই সবদিক থেকে বাস্তবসম্মত হতে পারে। উভচর জাহাজ ও এয়ারবোর্ন ইউনিটকে এখানেই একমাত্র একসঙ্গে কাজে লাগানো সম্ভব।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের নেতারা হরমুজ নিয়ে দরকষাকষির লক্ষ্যে খার্ক দ্বীপ দখলের কথাও ভাবতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বেশি হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন
নেটোর এক সময়কার সুপ্রিম অ্যালাইড কমান্ডার অ্যাডমিরাল জেমস স্টাভরিডিস সতর্ক করে বলেছেন, খার্ক দ্বীপে কোনো আক্রমণ চালাতে গেলে হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের সময় ড্রোন, বিস্ফোরক ভর্তি ছোট নৌকা এবং ক্ষেপণাস্ত্রের বিশাল বাধার মুখে পড়তে হবে।
মার্কিন বাহিনী হয়তো প্রথম সুযোগেই দ্বীপটি দখল করে নিতে পারে, কিন্তু সেখানে ইরান ব্যাপক মাইন বা ‘বুবি-ট্র্যাপ’ পেতে রাখতে পারে, যা মার্কিন বাহিনীর জন্য আখের বিপজ্জনক হবে, বলেছেন স্টাভরিডিস।