১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি সই করতে ইউক্রেইন প্রস্তুত নয়: জেলেনস্কি

যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেইনের কাছ থেকে ৫০ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ খনিজ চায়। ইউক্রেইন সফরের সময় এ বিষয়ে খসড়া চুক্তি দিয়েছিলেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি সই করতে ইউক্রেইন প্রস্তুত নয়: জেলেনস্কি
ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 16 Feb 2025, 07:29 PM

Updated : 10 Sep 2026, 12:33 PM

ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ সম্পদ চুক্তি করতে তার দেশ এখনও প্রস্তুত নয়। এই চুক্তিতে কিইভের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার বিধান নেই বলে জানান তিনি।

তিনটি সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেইনের কাছ থেকে ৫০ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ খনিজের মালিকানা চায়। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট গত বুধবার কিইভ সফরের সময় একটি খসড়া চুক্তি উপস্থাপন করেছিলেন।

তবে বেসেন্টের দেওয়া প্রস্তাবটি সই করতে অস্বীকৃতি জানান জেলেনস্কি। তিনি বলেন, প্রস্তাবটি তার পড়ে দেখা এবং এটি নিয়ে অন্যদের সঙ্গে আলোচনা করা প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এর আগে ইউক্রেইনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সমর্থন দিয়ে যাওয়ার বিনিময়ে দেশটির কাছ থেকে বিরল খনিজ সম্পদ চেয়েছিলেন এবং একটি চুক্তি করারও আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।

ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিও তাতে চটজলদি সাড়া দিয়েছিলেন। তবে তার শর্ত ছিল, এর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ইউক্রেইনের নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিতে হবে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউক্রেইনের আলাপও হয়।

তবে জেলেনস্কি সেই আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কিছু বলেননি। তবে ইউক্রেইনের দুই কর্মকর্তা শুক্রবার বলেছেন, কিইভ একটা সংশোধিত খসড়া চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের খসড়া চুক্তিটিতে কী সমস্যা ছিল সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে জেলেনস্কি বলেন, “এটি সার্বভৌম ইউক্রেইনের স্বার্থ পরিপন্থি। নিরাপত্তার নিশ্চয়তার বিষয়ে এতে বাস্তবসম্মত তেমন কিছু নেই। নিরাপত্তার বিষয়টি আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এক ধরনের নিরাপত্তার গ্যারান্টির সঙ্গে এক ধরনের বিনিয়োগের যোগ থাকবে।”

জেলেনস্কি শিবির যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে নিরাপত্তার এমন এক গ্যারান্টি পাওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিচ্ছে, যার বদৌলতে একবার শান্তি চুক্তি হয়ে যাওয়ার পর রাশিয়া আর নতুন করে ইউক্রেইনে আগ্রাসন চালাতে না পারে।

কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী বেসেন্ট বলেছেন, তার চুক্তির মাধ্যমে ইউক্রেইন ‘নিরাপত্তা ঢাল’পাবে এবং ইউক্রেইনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সম্পর্ক তৈরি হবে।