১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ইরানের সামরিক স্থাপনার কাছাকাছি থাকা বেসামরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র

ইরানি কর্তৃপক্ষ সামরিক অভিযান চালাতে ঘনবসতিপূর্ণ বেসামরিক এলাকাগুলো ব্যবহার করছে, অভিযোগ মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের।

ইরানের সামরিক স্থাপনার কাছাকাছি থাকা বেসামরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের একটি বেসামরিক ভবন। ছবি: সৌদি গেজেট

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 09 Mar 2026, 04:00 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:07 PM

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরান সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে এমন স্থাপনাগুলোর ভেতরে ও বাইরে অবস্থানকারী বেসামরিকদের নিরাপত্তার ‘গ্যারান্টি তারা দিতে পারবে না’। 

আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এসব অবস্থান বৈধ সামরিক লক্ষ্যস্থল হতে পারে বলে সতর্ক করেছে তারা; জানিয়েছে সৌদি গেজেট।   

রোববার সামাজিক মাধ্যম এক্স এ সেন্টকম জানায়, ইরানের কর্তৃপক্ষ সামরিক অভিযান চালাতে ঘনবসতিপূর্ণ বেসামরিক এলাকাগুলো ব্যবহার করছে। ইস্পাহান, শিরাজ ও দেজফুলের মতো শহরগুলো ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মতো একমুখি হামলা চালাতে ব্যবহার করা হচ্ছে।  

এ ধরনের অনুশীলন বেসামরিকদের বিপন্ন করবে বলে সতর্ক করেছে সেন্টকম। তারা বলেছে, সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত স্থানগুলো সুরক্ষিত মর্যাদা হারাবে আর আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বৈধ সামরিক লক্ষ্যস্থলে পরিণত হবে।  

সেন্টকম ইরানি কর্তৃপক্ষকে অভিযুক্ত করে বলেছে, তারা জেনেশুনে বেসামরিকদের জীবন ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। ইরানের বেসামরিকদের বাড়িতে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়ে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে মার্কিন এই কমান্ড।  

বিবৃতিতে সেন্টকম বলেছে, “ইরানি বাহিনী বেসামরিক বিমানবন্দর, হোটেল ও আবাসিক এলাকাগুলোতে ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বিচার হামলা চালিয়ে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নিরাপরাধ লোকজনের নিরাপত্তাকে বিপন্ন করছে।” 

কমান্ডটি তাদের কমান্ডার মার্কিন নৌ-কর্মকর্তা ব্রাড কুপারকে উদ্ধৃত করে বলেছে, “ইরানি নেতৃবৃন্দ উপসাগরীয় অংশীদারদের আক্রমণ করার মাধ্যমে বেসামরিক জীবনকে অবজ্ঞা করছে আর একইসময় তাদের নিজেদের জনগণকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।” 

সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান কয়েকশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কয়েক হাজার আত্মঘাতী ড্রোন ছুড়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের অংশীদার বাহিনীগুলো ইরানের সামরিক সামর্থ্যকে লক্ষ্যবস্তু করার মাধ্যমে এসব মারণাস্ত্র উৎক্ষেপণের হার হ্রাস করতে পেরেছে।   

মার্কিন এই কমান্ড বলেছে, বেসামরিকদের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে মার্কিন বাহিনী পূর্বসতর্কতা অবলম্বন করছে কিন্তু ইরানের সামরিক স্থাপনার কাছে যেসব বেসামরিকরা আছে তাদের নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিতে পারছে না।