Published : 16 Mar 2026, 04:30 PM
ইরানের মৃত সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির ব্যবহার করা একটি বিমান ধ্বংসের দাবি করেছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী।
রোববার দিবাগত রাতে ইরানের রাজধানী তেহরানের মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা চালিয়ে বিমানটি ধ্বংস করা হয় বলে জানিয়েছে তারা।
ইসরায়েলি বাহিনী আরও জানায়, মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করার জন্য এবং অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ভ্রমণের জন্য ইরানের ঊধ্র্বতন কর্মকর্তারা এই বিমানটি ব্যবহার করে আসছিলেন। ইসরায়েলি বিমান বাহিনী আঘাত হেনে বিমানটি ধ্বংস করেছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, মেহরাবাদ ইরানের একটি পুরনো বিমানবন্দর। এখন এই বিমানবন্দর থেকে অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক ফ্লাইট পরিচালিত হয়। এটি ইরানের সবচেয়ে ব্যস্ত অভ্যন্তরীণ বেসামরিক বিমানবন্দর। তবে বিমান বাহিনীর ব্যবহার করার সুবিধাও এতে আছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, এই ‘কৌশলগত সম্পদ’ ধ্বংস করায় আঞ্চলিক ছায়া বাহিনীগুলোর সঙ্গে ইরানের ‘সমন্বয় করার সক্ষমতা, সামরিক শক্তির পুনর্নির্মাণ ও পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা ধাক্কা খেয়েছে’।
চলতি মাসের প্রথমদিকে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী মেহরাবাদ বিমানবন্দরে হামলা চালিয়ে ইরানের ১৬টি বিমান ধ্বংস করেছিল। এসব বিমান ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের বৈদেশিক শাখা কুদস ফোর্স ব্যবহার করতো বলে দাবি ইসরায়েলি বাহিনীর।
২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ব্যাপক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ইরান যুদ্ধের সূচনা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তাদের যৌথ হামলায় ওই শনিবারের সকালেই ইরানের ওই সময়ের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি তেহরানে তার নিজ বাসভবনে নিহত হন। এই হামলায় তার এক কন্যা, কন্যার স্বামী ও তাদের শিশু সন্তানও নিহত হন।
একই হামলায় গুরুতর আহত আলি খামেনির স্ত্রী কয়েকদিন পর মারা যান। আর ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মৃত আলি খামেনির ছেলে মুজতাবা খামেনি সম্ভবত ওই হামলায় আহত হয়েছিলেন।