কোভিড পার্টি: জনসন ইচ্ছা করেই পার্লামেন্টকে বিভ্রান্ত করেছিলেন, বলছে তদন্ত প্রতিবেদন
মহামারীর সময়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে হওয়া পার্টিগুলো লকডাউনের নির্দেশনা ভেঙেছিল; এ ব্যাপারে জনসন ইচ্ছাকৃতভাবে পার্লামেন্টকে বিভ্রান্ত করেছিলেন কিনা প্রিভিলেজেস কমিটির তা খতিয়ে দেখার দায়িত্ব ছিল।
কোভিড-১৯ মোকাবেলায় দেওয়া লকডাউনের সময় ডাউনিং স্ট্রিটের পার্টি নিয়ে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ইচ্ছাকৃতভাবেই পার্লামেন্টকে বিভ্রান্ত করেছিলেন বলে এ সংক্রান্ত সংসদীয় এক তদন্ত দলের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
মহামারীর সময়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে হওয়া পার্টিগুলো লকডাউনের নির্দেশনা ভেঙেছিল; এ ব্যাপারে জনসন ইচ্ছাকৃতভাবে পার্লামেন্টকে বিভ্রান্ত করেছিলেন কিনা তা খতিয়ে দেখার দায়িত্ব ছিল এই প্রিভিলেজেস কমিটির।
আইনপ্রণেতাদের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখার দায়িত্বে থাকা মূল পর্ষদ প্রিভিলেজেস কমিটি বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
“উপসংহারে আমরা বলছি, পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্ত করে জনসন গুরুতর অপরাধ করেছেন,” বলা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।
যুক্তরাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও বিতর্কিত রাজনীতিক, বহির্বিশ্বে সুপরিচিত জনসন আগেই এই প্রতিবেদনকে ‘প্রহসন’ অ্যাখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে পার্লামেন্টকে বিভ্রান্ত করেছেন, এই ভাষ্য সত্য নয়।
প্রতিবেদনটি আগাম দেখে জনসন গত সপ্তাহেই পার্লামেন্ট থেকে পদত্যাগ করেন। তার আসনে এখন উপনির্বাচন হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আস্থা নষ্ট করে, কমিটিকে নিয়ে অপমানজনক কথাবার্তা বলে, অবমাননাকর প্রচারণা ও হস্তক্ষেপের চেষ্টায় জড়িত থাকার মাধ্যমে জনসন হাউস অব কমন্স ও এই কমিটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্ত করে সংসদীয় প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চেয়েছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
এতে আরও বলা হয়, জনসন যদি পার্লামেন্টের সদস্য থাকতেন, তাহলে কমিটি তাকে ৯০ দিনের জন্য বরখাস্তের সুপারিশ করতো।
“তিনি যেন পার্লামেন্টের সাবেক সদস্যের পাস ব্যবহার করতে না পারেন, সেজন্যও সুপারিশ করছি আমরা,” বলা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।
