রসায়নের জন্য যুক্তরাজ্যে নতুন গবেষণা কেন্দ্র ‘এআইকেমি’
যুক্তরাজ্য জুড়ে নতুন করে তৈরি হওয়া এই ধরনের গবেষণাকেন্দ্রগুলোর জন্যে একে আদর্শ হিসাবে তৈরি করা হচ্ছে আর এতে যৌথ নেতৃত্ব দিচ্ছে ‘লিভারপুল ইউনিভার্সিটি’ ও ‘ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন’।
এআই বিকাশের জন্য একটি নতুন রসায়ন গবেষণা কেন্দ্র তৈরি করছে যুক্তরাজ্য। আপাতত এ প্রকল্পকে ডাকা হচ্ছে ‘এআইকেমি’ নামে।
যুক্তরাজ্য জুড়ে নতুন করে তৈরি হওয়া এই ধরনের গবেষণাকেন্দ্রগুলোর জন্যে একে আদর্শ হিসাবে তৈরি করা হচ্ছে আর এতে যৌথ নেতৃত্ব দিচ্ছে ‘লিভারপুল ইউনিভার্সিটি’ ও ‘ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন’।
‘এআইকেমি’ নামে ডাকা এই কেন্দ্রটি যুক্তরাজ্যের অন্যান্য রসায়ন গবেষণা কেন্দ্রের নয়টির মধ্যে একটি। যেটিকে ‘ইউকে রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্সেস রিসার্চ কাউন্সিল’ থেকে আট কোটি ইউরো বিনিয়োগ পাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে রসায়নবিষয়ক ব্রিটিশ সাইট ‘কেমিস্ট্রিওয়ার্ল্ড’।
এজন্য গোটা যুক্তরাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই কনসোর্টিয়াম আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এআই গবেষকদের এই প্রকল্পে যুক্ত করবে। এতে থাকবেন এই দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করা রসায়নের গবেষক যারা এআই ইন্টারফেইস নিয়ে কাজ করছেন। দেশটির আরও আটটি গবেষণা কেন্দ্রসহ এই শিল্পসংশ্লিষ্ট ১৫টিরও বেশি অংশীদারও এতে যুক্ত হবেন।
“এটি যুক্তরাজ্যের প্রথম একাডেমিক-ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনস্টিটিউট। যা রসায়ন ও এআই গবেষকদের মধ্যে সহযোগিতার জন্য অনুমোদিত,” বলেছেন লিভারপুল ইউনিভার্সিটি’র রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক অ্যান্ডি কুপার। তিনি এই নতুন গবেষণা কেন্দ্রটির সহ-নেতৃত্বের দায়িত্বে আছেন।
“এটি যুক্তরাজ্যের প্রথম শিক্ষা-শিল্প গবেষণা প্রতিষ্ঠান যেটি রসায়ন এবং এআই গবেষকদের মধ্যে সহযোগিতার জন্য নিবেদিত,” বলেন লিভারপুলের রসায়ন বিভাগের অ্যান্ডি কুপার। নতুন এই হাবের নেতৃত্ব দেওয়া অন্যতম গবেষক তিনি।
“রসায়ন ও এআই গবেষকদের একসঙ্গে কাজ করার বিশাল সুযোগ রয়েছে এবং এই নতুন হাবটি যুক্তরাজ্যের একটি নতুন সমন্বিত গবেষণা সম্প্রদায় তৈরি করতে দুটি পৃথক শাখাকে এক জায়গায় আনবে।
এই গবেষণা কেন্দ্রটির সহ-নেতৃত্বে আরও আছেন ‘ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন’-এর ‘কম্পিউটেশনাল’ রসায়নবিদ কিম জেলফস। তিনি বলছেন, রসায়নকে রূপান্তর করার সম্ভাবনা রয়েছে এআইয়ের এবং এই গবেষণাকেন্দ্রটির লক্ষ্য, যুক্তরাজ্য যেন এআই রসায়ন বিপ্লবের দ্বারপ্রান্তে থাকে তা নিশ্চিত করা।
এই গবেষণা ও উদ্যোগের জন্য ‘ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন’-এর ভাইস-প্রোভোস্ট ও ‘ম্যাটিরিয়ালস’ বিজ্ঞানী মেরি রায়ান বলেছেন, ‘আমরা প্রযুক্তি খাতের সব বিপ্লবের প্রথম সারিতে রয়েছি, যেটা উন্নত এআইয়ের মাধ্যমে সক্রিয় রয়েছে।’
‘যুক্তরাজ্যের রসায়ন খাতের জন্য এআইয়ের সুবিধা নিতে এই ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে গভীর সহযোগিতার প্রয়োজন। পাশাপাশি আবিষ্কার ও অনুবাদের জন্য নতুন টুলের উন্নয়নও প্রয়োজন।’
