সবচেয়ে দামি ফোন নিয়ে চীনের রিয়েলমি যাচ্ছে ইউরোপে

সবচেয়ে দামী ডিভাইস নিয়ে চীনের মোবাইল ফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি আগামী মাসেই ইউরোপের হাই-এন্ড হ্যান্ডসেট বাজারে প্রবেশের প্রস্তুতি নিয়েছে।

প্রযুক্তি ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 26 Jan 2022, 06:11 AM
Updated : 26 Jan 2022, 06:11 AM

শেনজেনভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি বাজেট ফোনের বাজারের বাইরেও শক্ত অবস্থান তৈরি করার উদ্যোগ হিসেবে নিজেদের সবচেয়ে দামি মডেলটি ইউরোপের বাজারে হাজির করবে। রিয়েলমি’র সিইও রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তার প্রতিষ্ঠান এ বছর বিশ্বব্যাপী শতকরা ৫০ ভাগ বেশি স্মার্টফোন বিক্রির পরিকল্পনা করছে।

বেশ কয়েকটি চীনা হ্যান্ডসেট নির্মাতা হুয়াওয়ের স্মার্টফোনের বাজার দখলের জন্য আগ্রাসী পদক্ষেপ নিচ্ছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর এক সময়ের শীর্ষস্থান দখলকারী এই স্মার্টফোন নির্মাতার সাপ্লাই চেইন বন্ধ হয়ে যায় এবং অবস্থান হারায়।

রিয়েলমি ফেব্রুয়ারিতে ইউরোপে তার ফ্ল্যাগশিপ ফোন জিটি ২ প্রো সাতশ’ থেকে আটশ’ ডলারে বিক্রি করবে বলে জানিয়েছেন সিইও স্কাই লি।

জিটি মাস্টার এডিশনের মূল্য অ্যামাজন সাইটে ৩৯৫ ডলার। সে হিসেবে প্রো তার প্রায় দ্বিগুণ মূল্যে বিক্রি হবে, যেটি অ্যাপল এবং স্যামসাংয়ের প্রিমিয়াম ফোনের প্রায় কাছাকাছি দামের হতে যাচ্ছে।

লি বলেন, “আমরা মনে করি এটি একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বাজার, হাইএন্ড ফোনের জন্য একটি বড় বাজার।”

মহামারীর ছোবল লেগেছে অর্থনীতিতে, স্মার্টফোনের চাহিদা কমে এসেছে এবং ক্রেতারা নতুন ফোন কিনতে আরও বেশি সময় নিচ্ছেন। তবে, বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল  স্মার্টফোন নির্মাতা হিসাবে রিয়েলমি এখানে পরিবর্তন আনতে পারে বলে যোগ করেছেন লি।

কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের ধারণা অনুসারে ইউরোপের স্মার্টফোন বাজার থেকে ২০২১ সালের প্রথম ১১ মাসে প্রায় ৮০ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে। এর মধ্যে হাই-এন্ড ফোন থেকে এসেছে প্রায় ৫৫ বিলিয়ন ডলার।

“বাজার বৃদ্ধির প্রায় পুরোটাই আসে হাই-এন্ড মডেল থেকে, আর এই অংশটি চালাচ্ছে অ্যাপল এবং স্যামসাংয়ের প্রিমিয়াম মডেলগুলো” - কাউন্টারপয়েন্ট সিনিয়র বিশ্লেষক ইয়াং ওয়াং বলেন।

অ্যাপলের প্রিমিয়াম ফোন ইউরোপের বাজারে চলেছে সবচেয়ে বেশি। প্রতিষ্ঠানটির আইফোন ১৩’র দাম শুরু হয় প্রায় সাড়ে আটশ’ ডলার থেকে। গত প্রান্তিকে এর পরেই ছিল স্যামসাং এবং শাওমি যাদের প্রিমিয়াম ফোনের মূল্য ছিল যথাক্রমে নয়শ’ ও সাতশ’ ডলার।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক