২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬ আশ্বিন ১৪৩৩

চেন্নাইয়ে বৈশ্বিক প্রযুক্তি কেন্দ্র তৈরি করছে কফি চেইন স্টারবাকস

কয়েক দিন আগেই মার্কিন ওষুধ বিক্রেতা কোম্পানি ওয়ালগ্রিনস একই ধরনের একটি কেন্দ্র স্থাপনের জন্য রাজ্য সরকারের সঙ্গে চুক্তি করেছে।

চেন্নাইয়ে বৈশ্বিক প্রযুক্তি কেন্দ্র তৈরি করছে কফি চেইন স্টারবাকস

ভারতে এরইমধ্যে টাটা কনজিউমার প্রোডাক্টসের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে স্টারবাকসের প্রায় ৫০০ ক্যাফে রয়েছে। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 21 Sep 2026, 06:20 PM

Updated : 21 Sep 2026, 06:20 PM

মার্কিন কফি চেইন স্টারবাকস ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর চেন্নাইয়ে একটি বৈশ্বিক সক্ষমতা কেন্দ্র স্থাপন করতে তামিলনাড়ু রাজ্য সরকারের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এর ফলে, সেখানে প্রায় ৮০০ প্রযুক্তিকর্মীর কর্মসংস্থান হবে।

সোমবার তামিলনাড়ু রাজ্য সরকার এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে রয়টার্স লিখেছে, এই কেন্দ্র স্থাপনে কী পরিমাণ বিনিয়োগ হবে, তা প্রকাশ করেনি রাজ্য সরকার।

ভারতে এরইমধ্যে টাটা কনজিউমার প্রোডাক্টসের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে স্টারবাকসের প্রায় ৫০০টি ক্যাফে রয়েছে। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে স্টারবাকসের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কাজের নিয়মিত সময়ের বাইরে কোনো সাড়া মেলেনি।

কিছুদিন আগেই মার্কিন ওষুধ বিক্রেতা কোম্পানি ওয়ালগ্রিনস একই ধরনের একটি কেন্দ্র স্থাপনের জন্য রাজ্য সরকারের সঙ্গে চুক্তি করেছে। সেই খবরের কয়েকদিনে মধ্যেই স্টারবাকসের এই খবর এল।

চেন্নাইয়ে এরইমধ্যে সিটি, বার্কলেইস ও আমেরিকান এক্সপ্রেসের মতো বৈশ্বিক ব্যবসায়িক কোম্পানির প্রযুক্তি কেন্দ্র রয়েছে। তামিলনাড়ু সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে থাকা বৈশ্বিক সক্ষমতা কেন্দ্রগুলোর প্রায় এক-দশমাংশের অবস্থান চেন্নাইয়ে।

রাজ্য সরকারের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্টারবাকসের প্রযুক্তি বিভাগের প্রধান আনন্দ ভারাদারাজনের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে তিনি বলেছেন, দক্ষ কর্মী, কর্মী ধরে রাখায় তুলনামূলক ভালো অবস্থা এবং উন্নত অবকাঠামোর সুবিধা এই কফি চেইনকে সহায়তা করবে।

ভারত বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক সক্ষমতা কেন্দ্রের হাব হিসেবে উঠে এসেছে। ন্যাসকম-জিনোভের ২০২৬ সালের এক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে দুই হাজার একশটির বেশি এমন কেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রে প্রায় ২৩ লাখ ৬০ হাজার মানুষ কাজ করেন এবং কেন্দ্রগুলো থেকে প্রায় ১০ হাজার কোটি ডলার আয় হয়।

বৈশ্বিক সক্ষমতা কেন্দ্রগুলো এখন আর শুধু কম খরচে পেছনের সারির দাপ্তরিক সহায়তার কাজেই সীমাবদ্ধ নেই। বিভিন্ন কোম্পানি এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে তাদের প্রধান কার্যালয়কে অর্থ ব্যবস্থাপনা, সফটওয়্যার উন্নয়ন এবং গবেষণা ও উন্নয়নের মতো উচ্চমূল্যের কাজেও সহায়তা দিচ্ছে।