১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

জেমস ওয়েবের চোখে ‘মগজের মতো’ নীহারিকার অপূর্ব দৃশ্য

মহাকাশের ধুলা ও গ্যাসের এ মেঘটি দেখতে অনেকটা মানুষের স্বচ্ছ মাথার খুলির ভেতরে থাকা মস্তিকের মতোই। এ আকারের কারণেই নীহারিকাটির নাম এমন অদ্ভুত।

জেমস ওয়েবের চোখে ‘মগজের মতো’ নীহারিকার অপূর্ব দৃশ্য
ছবিতে একটি তারার শেষ মুহূর্তের দৃশ্য যেমন বোঝা যাচ্ছে, তেমনই এ নীহারিকাটি কীভাবে মগজের মতো আকৃতি পেল তারও কিছু ইঙ্গিত মিলেছে। ছবি: নাসা

প্রযুক্তি ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 01 Mar 2026, 12:15 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:03 PM

নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ থেকে নতুন কোনো ছবি শেয়ারের দিনটি মহাকাশপ্রেমীদের জন্য বরাবরই আনন্দের। টেলিস্কোপের নতুন ছবিতে মগজের মতো দেখতে নীহারিকার এক অপূর্ব রূপ ধরা পড়েছে।

প্রযুুক্তি সাইট এনগ্যাজেট লিখেছে, ‘এক্সপোজড ক্রেনিয়াম নেবুলা’ বা ‘উন্মুক্ত মাথার খুলি নীহারিকা’র কিছু ছবি প্রকাশ করেছে নাসা। মহাকাশের ধুলা ও গ্যাসের এ মেঘটি দেখতে অনেকটা মানুষের স্বচ্ছ মাথার খুলির ভেতরে থাকা মস্তিকের মতোই।

এ আকারের কারণেই নীহারিকাটির নাম এমন অদ্ভুত। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মহাকাশ ধূলিকণা ও ধ্বংসাবশেষের মেঘটি ‘নেবুলা পিএমআর ১’ নামে পরিচিত।

নাসার এই নতুন ছবিতে একটি তারার শেষ মুহূর্তের দৃশ্য যেমন বোঝা যাচ্ছে, তেমনই এ নীহারিকাটি কীভাবে মগজের মতো আকৃতি পেল তারও কিছু ইঙ্গিত মিলেছে।

এক ব্লগ পোস্টে নাসা বলেছে, এ নীহারিকাটির বিবর্তন বা তৈরি হওয়ার বিভিন্ন ধাপ এর আলাদা আলাদা অংশ দেখলেই বোঝা যায়। এর বাইরের আবরণটি হাইড্রোজেন গ্যাস দিয়ে তৈরি, যা তারা থেকে সবার আগে ছিটকে বেরিয়ে গিয়েছিল। আর ভেতরের মেঘটির গঠন আরও জটিল, যেখানে বিভিন্ন ধরনের গ্যাসের মিশ্রণ রয়েছে।

নীহারিকাটির মাঝখান দিয়ে লম্বালম্বিভাবে কালো এক রেখা চলে গেছে, যার কারণে এটি দেখতে ঠিক মানুষের মগজ বা খুলির মতো লাগছে।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, কেন্দ্রীয় তারা থেকে বিপরীত দিকে বেরিয়ে আসা শক্তিশালী দুটি জেট বা গ্যাসপ্রবাহের ফলে এ বিশেষ আকৃতির তৈরি হয়েছে।

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের দুটি শক্তিশালী যন্ত্র ‘নিয়ার-ইনফ্রারেড ক্যামেরা’ ও ‘মিড ইনফ্রারেড ইনস্ট্রুমেন্ট’ বা এসআরআইআর ব্যবহার করে এ নীহারিকাটির ছবি ও তথ্য সংগ্রহ করেছেন গবেষকরা।