২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
সাধারণ তারাপুঞ্জে সাধারণত একই সময়ের প্রাচীন তারা থাকে। তবে এর গল্পটা ভিন্ন, যেখানে অন্তত চারবার ভিন্ন ভিন্ন যুগে তারাদের জন্ম হয়েছে।
এর মাধ্যমে বিগ ব্যাংয়ের পর প্রথম একশ কোটি বছরের মধ্যে থাকা কোনো ব্ল্যাক হোলের ভর বা ভরসংখ্যা প্রথমবারের মতো সরাসরি পরিমাপ করা সম্ভব হল।
মহাজাগতিক জালের এ মানচিত্রে ডার্ক ম্যাটার, গ্যাস ও তন্তুর মতো মহাকাশের বড় বিভিন্ন বস্তুকে একে অপরের সঙ্গে যোগ করেছে গবেষণা দলটি।
তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্বের প্রসারণের হার মাপার দুটি পদ্ধতিরই ফলাফল একই হওয়া ও মহাবিশ্বের গতি সম্পর্কে নির্দিষ্ট ধারণা থাকা উচিত। তবে বাস্তবে তা হচ্ছে না।
পদার্থবিজ্ঞানের প্রচলিত ধারণা অনুসারে, ডার্ক ম্যাটার ‘ঠান্ডা’ প্রকৃতির এবং অন্য কোনো কণার সঙ্গে কোনো প্রকার প্রতিক্রিয়া ছাড়াই স্বচ্ছন্দে যাতায়াত করতে পারে।
বিজ্ঞানীরা বলেছেন, তারাটির এ বিশেষ রাসায়নিক গঠন সম্ভবত আদিম কোনো সুপারনোভা বিস্ফোরণের ফলেই তৈরি হয়েছে।
এ কাজে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ‘অল লেন্স’ টেলিস্কোপ এবং বিশেষ কিছু ফিল্টার ব্যবহার করবে, যা হাইড্রোজেন গ্যাসের অনেক ক্ষীণ আলোও দেখতে পায়।
সুপারনোভা বিশালাকার তারার জীবনের শেষ মুহূর্তের এক প্রচণ্ড বিস্ফোরণ এবং মহাকাশের অন্যতম উজ্জ্বল ঘটনা, যা সূর্যের চেয়ে প্রায় একশ কোটি গুণ বেশি উজ্জ্বল।