৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
মহাবিশ্বের সবচেয়ে নিখুঁত ত্রিমাত্রিক মানচিত্র তৈরির লক্ষ্যে ২০২৩ সালে ১০০ কোটি ইউরোর ইউক্লিড টেলিস্কোপটি মহাকাশে উৎক্ষেপিত হয়েছিল।
এক হাজার ৩০০ কোটি বছরের পুরানো সুপারনোভা আবিষ্কারের নেপথ্য টেলিস্কোপটিকে টেনে নিরাপদ কক্ষপথে ফিরিয়ে নেওয়াই এ উদ্ধার অভিযানের মূল লক্ষ্য।
সাধারণ তারাপুঞ্জে সাধারণত একই সময়ের প্রাচীন তারা থাকে। তবে এর গল্পটা ভিন্ন, যেখানে অন্তত চারবার ভিন্ন ভিন্ন যুগে তারাদের জন্ম হয়েছে।
এ ধরনের বস্তুর বিরল ও অজানা প্রকৃতির কারণে এমন অনুমান করা হচ্ছে, এগুলো ভিনগ্রহের উন্নত সভ্যতার পাঠানো কোনো মহাকাশযান হতে পারে।
এসব বহির্গ্রহের বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৫ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা আমাদের বৃহস্পতি গ্রহের বাতাসের চেয়েও শক্তিশালী।
মহাজাগতিক জালের এ মানচিত্রে ডার্ক ম্যাটার, গ্যাস ও তন্তুর মতো মহাকাশের বড় বিভিন্ন বস্তুকে একে অপরের সঙ্গে যোগ করেছে গবেষণা দলটি।
টেলিস্কোপের আয়নাটি হাবলের আয়নার সমান আকৃতির হলেও তা হাবলের তুলনায় ১০০ গুণ বড় আকাশের অংশ একসঙ্গে ক্যামেরাবন্দি করতে পারে।
জেমস ওয়েব ও হাবল স্পেস টেলিস্কোপের মাধ্যমে তোলা এসব ছবিতে গ্যাসীয় দানব এ গ্রহটির বায়ুমণ্ডলের এক অভূতপূর্ব দৃশ্য ফুটে উঠেছে।