০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
এসব বহির্গ্রহের বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৫ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা আমাদের বৃহস্পতি গ্রহের বাতাসের চেয়েও শক্তিশালী।
মহাজাগতিক জালের এ মানচিত্রে ডার্ক ম্যাটার, গ্যাস ও তন্তুর মতো মহাকাশের বড় বিভিন্ন বস্তুকে একে অপরের সঙ্গে যোগ করেছে গবেষণা দলটি।
টেলিস্কোপের আয়নাটি হাবলের আয়নার সমান আকৃতির হলেও তা হাবলের তুলনায় ১০০ গুণ বড় আকাশের অংশ একসঙ্গে ক্যামেরাবন্দি করতে পারে।
জেমস ওয়েব ও হাবল স্পেস টেলিস্কোপের মাধ্যমে তোলা এসব ছবিতে গ্যাসীয় দানব এ গ্রহটির বায়ুমণ্ডলের এক অভূতপূর্ব দৃশ্য ফুটে উঠেছে।
এ কাজে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ‘অল লেন্স’ টেলিস্কোপ এবং বিশেষ কিছু ফিল্টার ব্যবহার করবে, যা হাইড্রোজেন গ্যাসের অনেক ক্ষীণ আলোও দেখতে পায়।
মহাকাশের ধুলা ও গ্যাসের এ মেঘটি দেখতে অনেকটা মানুষের স্বচ্ছ মাথার খুলির ভেতরে থাকা মস্তিকের মতোই। এ আকারের কারণেই নীহারিকাটির নাম এমন অদ্ভুত।
এ মহাজাগতিক ঘটনার সবচেয়ে অস্বাভাবিক দিকটি হচ্ছে তারাটিকে গিলে ফেলার পর ব্ল্যাক হোলটির ‘বদহজম’ বা প্রতিক্রিয়ার তীব্রতা ও দীর্ঘস্থায়িত্ব।
প্রথমবার এমন কোনো মহাজাগতিক বস্তুর সন্ধান পাওয়া গেল, যা বিজ্ঞানীদের আদি মহাবিশ্ব ও ডার্ক ম্যাটারের প্রকৃতি সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পেতে সাহায্য করতে পারে।