২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
মহাকাশের ধুলা ও গ্যাসের এ মেঘটি দেখতে অনেকটা মানুষের স্বচ্ছ মাথার খুলির ভেতরে থাকা মস্তিকের মতোই। এ আকারের কারণেই নীহারিকাটির নাম এমন অদ্ভুত।
পৃথিবী থেকে তিন হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এ নীহারিকাটির ঠিক মাঝখানে রয়েছে একটি তারা, যা গ্যাস ও ধুলিকণার ঘন আস্তরণে ঢাকা পড়ে আছে।
নীহারিকায় ছবিতে মৃত্যুর এমন এক মুহূর্তের দেখা মিলেছে, যা নতুন জন্মের ভিত্তি তৈরি করেছে। মহাকাশে একটির মৃত্যু মানে অন্য কিছুর শুরু।
নীহারিকার মধ্যে আয়রন পরমাণুর বিশাল এক মেঘ দেখতে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা, যা দণ্ড বা বারের মতো আকৃতি নিয়ে প্রায় ৬ ট্রিলিয়ন কিলোমিটার জুড়ে ছড়িয়ে আছে।
নীহারিকার ভেতরে গ্যাস, ধুলা ও অন্যান্য উপাদান মাধ্যাকর্ষণের কারণে এক জায়গায় জড়ো হতে থাকে। এতে ঘন এলাকা তৈরি হয়, যা পরে এতটাই ভারী হয়ে ওঠে যে বিভিন্ন তারার জন্ম হয়।
টেলিস্কোপটি মহাকাশে পাঠানোর পর সবাই খুব আশাবাদী হলেও কিছুদিনের মধ্যেই বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন এর প্রধান ক্যামেরায় তোলা ছবি ঝাপসা আসছে।
হাবলের ৩৫তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে যে কয়েকটি মহাজাগতিক বস্তুকে টার্গেট করা হয়েছে তার মধ্যে ঈগল নীহারিকা একটি।