১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কেমন হচ্ছে মহাকাশ স্টেশনের বড়দিন?

বড়দিনে মহাকাশে কাটানোর মতো ঘটনা উইলিয়ামসের জন্য এবারই প্রথম নয়। এর আগে, ২০০৬ সালে বড়দিনের মওশুমও মহাকাশে কাটিয়েছেন তিনি।

প্রযুক্তি ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 25 Dec 2024, 03:26 PM

Updated : 10 Sep 2026, 12:27 PM

অনেকেরই ধারণা হতে পারে মহাকাশে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে ধর্মীয় বা সামাজিক আচার আচণের কোনও বালাই নেই, স্রেফ রোবটের মতো কাজ করেন নভোচারীরা। সেটি একেবারে মিথ্যা না হলেও তারাও দিনগুলো অন্তত স্মরণে রাখেন।

এবারের বড়দিনে পৃথিবীতে উৎসবের ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছেন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে আটকে পড়া বোয়িং নভোচারীরা।

এ বছরের ৫ জুন মহাকাশে গিয়েছিলেন সুনিতা উইলিয়ামস, ব্যারি উইলমোর, ডন পেটিট এবং নিক হেগকে। কেবল এক সপ্তাহের জন্য নভোচারীরা মহাকাশ স্টেশনে গেলেও এরইমধ্যে পেরিয়ে গেছে ছয় মাস।

নভোচারীদের আইএসএস-এ যান যুদ্ধ ও যাত্রীবাহী এয়ারক্রাফটের মার্কিন নির্মাতা কোম্পানি বোয়িংয়ের তৈরি ‘স্টারলাইনার’ মহাকাশযানটিতে করে। 

তবে ক্যাপসুলে থ্রাস্টার ব্যর্থতা ও হিলিয়াম লিক হওয়া’সহ বেশ কয়েকটি প্রযুক্তিগত সমস্যার মখে পড়ে। তখন থেকে মহাকাশে আটকে আছেন নভোচারীরা। এখনও পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারেননি তারা।

২৩ ডিসেম্বর রেকর্ড করা ওই ভিডিও বার্তায় হেগ বলেছেন, “ছুটির মৌসুম হচ্ছে বন্ধুবান্ধব, পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানোর মতো বিষয়। এ বছর আমরা তাদের থেকে দূরে আছি। তাই আমাদের পক্ষ থেকে আন্তরিক ও আনন্দময় বড়দিনের শুভেচ্ছা বার্তা পাঠাতে চাই। একইসঙ্গে আমরা আশা করি, আপনার ছুটির সময় চমৎকারভাবে কাটবে।”

“কেবল শুধু আমরাই যে পরিবার থেকে দূরে সময় কাটাতে যাচ্ছি, বিষয়টি তেমন নয়।”

“পৃথিবীতেও একটি বড় দল রয়েছে, যারা ছুটির দিনগুলোতে বিশ্বজুড়ে মিশন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আমাদেরকে সমর্থন করছেন। তারা একসঙ্গে মিলে যে ত্যাগ স্বীকার করছেন তার জন্য আমি তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাতে চাই।”

ভিডিওর শেষে পেটিট বলেছেন, ছুটির দিনগুলো ‘খাবার ও ভোজেরই আরেক নাম’। এ সময় প্যাকেটজাত খাবারের একটি এয়ার-টাইট ক্যান দেখান নভোচারীরা।

বড়দিনে মহাকাশে কাটানোর মতো ঘটনা উইলিয়ামসের জন্য এবারই প্রথম নয়। এর আগে, ২০০৬ সালে বড়দিনের মওশুমেও মহাকাশে কাটিয়েছেন তিনি।

গত মাসে ‘থ্যাংঙ্কসগিভিং’ উদযাপনের জন্য একদিনের ছুটি পেয়েছিলেন নভোচারীরা। নিজেদের দায়িত্ব থেকে সময় বের করে ৫ নভেম্বর মার্কিন নির্বাচনে ভোটও দিয়েছেন তারা।