১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
বিজ্ঞানীদের কাছে ‘কোয়াসি-মুন’ বা আধা-উপগ্রহ হিসেবে পরিচিত এ গ্রহাণুটি থেকে নমুনা সংগ্রহের লক্ষ্যে সফলভাবে এর কক্ষপথে পৌঁছল চীনের মহাকাশযান।
কোম্পানিটির পরিকল্পনা হচ্ছে, স্পেসএক্সের স্টারলিংকের মতো বড় স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, যার মাধ্যমে প্রয়োজন অনুসারে যে কোনো স্থানে সূর্যের আলো সরবরাহ করা যাবে।
ইতিহাসের প্রথম ও একমাত্র মহাকাশযান হিসেবে ২০১৫ সালে দূরবর্তী গ্রহ প্লুটোর বুক ছুঁয়ে গিয়েছিল নাসা’র এ সাহসী প্রোব ‘নিউ হরাইজনস’।
দীর্ঘমেয়াদী এক বৈশ্বিক শীতলীকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে উত্তর মেরুতে বরফের টুপি বা আইসক্যাপ তৈরি হওয়ার অনেক আগেই দক্ষিণ মেরু স্থায়ী বরফে ঢেকে গিয়েছিল।
গ্রহটি এর আকারের তুলনায় সূর্যের অনেক বেশি কাছে অবস্থিত। একইসঙ্গে গ্রহ তৈরির প্রচলিত নিয়মগুলোর কোনোটিই বুধ মেনে চলে না।
বস্তুটি তৈরিতে মোটা অংকের অর্থ ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের অনেক দেশের বার্ষিক জিডিপির চেয়েও বেশি।
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ‘বড় ও লুকিয়ে থাকা ম্যাগমা বা গলিত লাভা ব্যবস্থা’ রয়েছে, যা ভিনগ্রহের প্রাণের সন্ধানে এক বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
ঘটনাটি ঘটেছিল আর্কিয়ান যুগ বা ৪০০ কোটি থেকে ২৫০ কোটি বছর আগে। এ সময় পৃথিবীর টেকটোনিক প্লেটগুলো কেবল গঠিত হতে শুরু করেছে ও আদিম প্রাণের বিকাশ ঘটছে।