Published : 11 Aug 2025, 06:10 PM
টানা কয়েক সপ্তাহ উত্থানে থাকা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পাঁচ দিন ধরে নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
সোমবার দেশের বড় এ পুঁজিবাজারে সূচক কমে ৬ দশমিক ৯৮ পয়েন্ট। আগের দিন সূচক ছিল ৫ হাজার ৩৫১ পয়েন্ট।
প্রায় ১০ মাস পর গত ৩ অগাস্ট ডিএসই সূচক সাড়ে ৫ হাজার পয়েন্ট ছাড়িয়েছিল। তারপর থেকে সূচক কমেছে ১৯২ পয়েন্ট।
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে লেনদেনও কমেছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয় ৬১০ কোটি ৮৬ লাখ টাকার শেয়ার, যা আগের দিন ছিল ৭৬০ কোটি ৬৪ লাখ।
এদিন লেনদেনে আসা ৪০৫টি কোম্পানির মধ্যে দর বাড়ে ১২১টির; কমে ২০১টির; আর আগের দরে লেনদেন হয় ৮৩টি কোম্পানির শেয়ার।
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, লেনদেনে প্রথম অবস্থানে উঠে আসা ওষুধ ও রসায়ন খাতে হাতবদল হয় ৯১ কোটি ৩৯ লাখ টাকার শেয়ার।
পরের অবস্থানে থেকে ব্যাংক খাতে শেয়ার হাতবদল হয় ৮২ কোটি ৭৩ লাখ টাকার। তৃতীয় অবস্থানে থাকা বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ৮১ কোটি ১১ লাখ টাকার শেয়ার।
দিন শেষে দর বৃদ্ধির তালিকায় থাকা শীর্ষ তিন কোম্পানি হলো সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা, জিকিউ বলপেন ও মিডল্যান্ড ব্যাংক।
সবচেয়ে বেশি দর হারায় ফারইস্ট ফাইন্যান্স, রিজেন্ট টেক্সটাইল ও প্রাইম ফাইন্যান্স।
ব্লক মার্কেটে ‘বাড়তি দরে’ বেক্সিমকোর শেয়ার
ফ্লোর প্রাইসে আটকে থাকা বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ার ব্লক মার্কেটে হাতবদল হয়েছে বাড়তি দরে।
ব্লক মার্কেটে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দর বেঁধে দেওয়া হয় ৯৯ টাকা ১০ পয়সা। তার চেয়ে একটু বেশি ৯৯ টাকা ৪০ পয়সা দরে ৫ হাজার ৩৪টি শেয়ার হাতবদল হয়।
মূল বাজারে ১১০ টাকা ১০ পয়সা দরে থাকা শেয়ারটির কোনো হাতবদল হয়নি। ডিসেম্বর থেকে এই দরে আটকে আছে শেয়ারটি।
কোভিড মহামারীর সময়ে পুঁজিবাজারের সূচক ও লেনদেন পতন রোধে ফ্লোর প্রাইস বা শেয়ার দর বেঁধে দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
সেই ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হলেও এখনো বেক্সিমকোসহ কয়েকটি কোম্পানির ওপর বহাল আছে।