০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মেসির সঙ্গে ছোট্ট মুহূর্ত মাস্তানতুয়োনোর বড় আনন্দের উপলক্ষ

ফুটবলের মহাতারকার সঙ্গে কাটানো সময়ের স্মৃতি নিয়ে বললেন এই তরুণ মিডফিল্ডার।

মেসির সঙ্গে ছোট্ট মুহূর্ত মাস্তানতুয়োনোর বড় আনন্দের উপলক্ষ

লিওনেল মেসি ও ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 04 Oct 2026, 07:47 PM

Updated : 04 Oct 2026, 07:47 PM

খুব বেশি সময় লিওনেল মেসির সঙ্গ পাননি ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো। তবে মহানায়কের সঙ্গে দেখা হওয়াতেই যেন পূরণ হয়ে গেছে তার এক জীবনের স্বপ্ন! মেসির সঙ্গে কাটানো ছোট ছোট মুহূর্তগুলো তরুণ এই ফরোয়ার্ডের কাছে ধরা দিয়েছে বড় আনন্দের উপলক্ষ হয়ে।

রেয়াল মাদ্রিদ থেকে ধারে এই মৌসুমে ফিওরেন্তিনায় খেলছেন মাস্তানতুয়োনো। ১৯ বছর বয়সী উইঙ্গারকে অনেকেই দেখেন আর্জেন্টিনার ফুটবলের ভবিষ‍্যৎ হিসেবে। রোববার বুর্কিনা ফাসোর বিপক্ষে ৭-০ ব‍্যবধানে জয় পাওয়ার পথে একটি গোল করেছেন তিনি।

মেসির প্রতি মুগ্ধতা যেন এখনও কাটেনি মাস্তানতুয়োনোর। মহাতারকার সঙ্গে যতটা সম্ভব সময় কাটাতে চান তিনি।

“আমার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন ছিল মেসির সঙ্গে খেলা। আমি কখনও ভাবিনি সত্যিই সেটা পূরণ করার সুযোগ পাব। আমি সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছি।

“যেদিন আমি অনুশীলন ক্যাম্পে ঢুকে তাকে দেখলাম, সেদিন আমার সারা জীবনের একটি স্বপ্ন সত্যি হলো। তার সঙ্গে যত কম সময়ই হোক না কেন, এমনকি একটি মুহূর্তও ভাগ করে নিতে পারা আমার জন‍্য অনেক বড় বিষয় এবং এটা আমাকে ভীষণ আনন্দিত করে।”

বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোরে বেনিনের বিপক্ষে ম‍্যাচ দিয়ে জাতীয় দলকে বিদায় জানাবেন মেসি। মাস্তানতুয়োনো নিশ্চিত, সবাই মিলে রাঙিয়ে রাখবেন দিনটা।

“অবশ্যই, ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে মঙ্গলবারের বিদায় অনুষ্ঠান হবে ঠিক তেমন, যেমনটা তার প্রাপ্য।”

প্রত‍্যাশার বিপুল চাপ মাস্তানতুয়োনোর কাঁধে। সেই চাপকে আলিঙ্গন করেই সফল হতে চান তিনি।

“আমার মনে হয় আমার কাছে সমর্থকদের প্রত্যাশা অনেক বেশি। আমি বিষয়টি বুঝি, কারণ ১৬ বছর বয়সে প্রথম এই মাঠে নামার পর থেকেই আমার কাছে সবার কী চাওয়া, তা আমি জানি। স্বাভাবিকভাবেই, সবার অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, যা আমাকে আনন্দ দেয় এবং আমি সবসময় সেগুলো পূরণ করার চেষ্টা করি।

“আমার মনে হয়, আর্জেন্টিনার সমর্থকদের প্রত‍্যাশা অত্যন্ত বেশি। আমরা জানি যে, এমনটা বহুবার ঘটেছে। তারা আমার প্রতি কঠোর হতে পারে, কিন্তু আমি এটি উপভোগ করার চেষ্টা করি। সত্যি বলতে, জাতীয় দলে এতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের মাঝে থাকতে পেরে আমার খুব ভালো লাগছে, যারা আমাকে অনেক সাহায্য করছেন যেন আমি আমার নিজের ফুটবলটা খেলতে পারি।”