Published : 30 Jun 2026, 10:53 AM
নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে, ১২০ মিনিটে সেভ করলেন ছয়টি। নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির কাই হাভার্টজের নেওয়া প্রথম শট আটকালেন। এরপর চতুর্থ শট নিতে আসা নক ভল্টেমাডার প্রচেষ্টাও রুখে দিলেন ঝাঁপিয়ে। প্যারাগুয়ের পোস্টে বিশ্বস্ত দেয়াল হয়ে থাকা ওর্লান্দো হিলের উচ্ছ্বাস স্বাভাবিকভাবে হলো বাঁধনহারা।
বস্টনে উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে জার্মানিকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়েছে প্যারাগুয়ে। দুই দলের নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা শেষ হয়েছিল ১-১ সমতায়।
টাইব্রেকারের আগে দুই বার পরাস্ত হন হিল। একবার, হাভার্টজের কাছে। এরপর অতিরিক্ত সময়ে, জোনাথন টাহর হেডে; তবে, এ দফায় গোল পায়নি জার্মানি। ভিএআরে ধরা পড়ে টাহর হেডে বল জালে জড়ানোর আগে গোলরক্ষকের গতিরোধ করেছিলেন ভালদেমার আন্তন।
এরপর টাইব্রেকারে ছয় ফুট ছয় ইঞ্চি লম্বা হিলের কাঁধে সওয়ার হয়ে শেষ ষোলোর মঞ্চে উঠল প্যারাগুয়ে। এবার তারা স্বপ্ন দেখছে, ২০১০ সালের পর বিশ্বকাপে প্রথম কোয়ার্টার-ফাইনালে খেলার। বৈশ্বিক ফুটবলে, সেরা আটে খেলা আজও দলটির সর্বোচ্চ সাফল্য।
মহাদেশীয় পর্যায়েও প্যারাগুয়ের সবশেষ সাফল্যের গল্পে জমেছে ৪৭ বছরের ধুলো। দুটি কোপা আমেরিকা ট্রফির সবশেষটি তারা জিতেছিল ১৯৭৯ সালে।
বৈশ্বিক এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে ব্যর্থতার বৃত্তে ঘোরপাক খাওয়া প্যারাগুয়ের জন্য জার্মানির বিপক্ষে জয় নিশ্চিতভাবে দারুণ কিছু। হিলও বললেন, বিশেষ প্রাপ্তির আনন্দ অনুভব করছেন তিনি।
“আমি ভীষণ, ভীষণ রোমাঞ্চিত। খুবই খুশি। এটা চ্যালেঞ্জিং ম্যাচ ছিল, খুবই জটিল এবং সব দিক থেকে আক্রমণ হচ্ছিল, কিন্তু আমরা সেগুলো প্রতিরোধ করেছি।”
“আমি মনে করি, এটা আমাদের জন্য একটা দারুণ সুযোগ। অবশ্যই, এই জয় প্যারাগুয়ের সব মানুষের জন্য এবং এটা আসলেই বিশেষ কিছু।”