Published : 07 Jun 2026, 07:52 AM
আর ৪ দিন পরেই পর্দা উঠবে বিশ্বকাপের উত্তর আমেরিকা আসরের। বাকি দিনগুলোর প্রতিটিতে একটি করে পরিসংখ্যান ভিত্তিক গল্প বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হবে।
এই ধারাবাহিকতায় আজ থাকছে ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে কয়েক জন গোল্ডেন বুট জয়ীর কথা, যাদের অর্জনে আছে কাকতালীয় মিল।
১৯৭৮ সালের আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ থেকে ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপ পর্যন্ত টানা ছয় আসরে প্রতিবার সর্বোচ্চ গোলের সংখ্যা ছিল ৬!
এই ধারার শুরু হয় মারিও কেম্পেসের হাত ধরে, ১৯৭৮ সালে ঘরের মাঠে আর্জেন্টিনাকে প্রথম শিরোপা এনে দেওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। ১৯৮২ আসরে ইতালির ৪৪ বছরের খরা কাটানোর পথে একইভাবে একই কাজ করেন পাওলো রস্সি।
১৯৮৬ আসরে ইংল্যান্ডের গ্যারি লিনেকার ও ১৯৯০ আসরে ইতালির তোতো শিলাচিও ছয়বার করে জালে বল পাঠিয়ে আসরে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে রাশিয়ার ওলেগ সালেঙ্কো ও বুলগেরিয়ার রিস্তো স্তইচকোভ সমান সংখ্যক গোল করে যৌথভাবে জিতে নেন অ্যাডিডাসের গোল্ডেন বুট।
১৯৯৮ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার ডেভর সুকের চমকপ্রদ পারফরম্যান্সে ৬ গোল করে গোল্ডেন বুট জয় করেন। ২০০২ বিশ্বকাপে এসে ছয় গোলের সেই গেরো কাটে; আট গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন ব্রাজিলের রোনালদো।
বিশ্বকাপে কোনো দেশের টানা সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ড রস্সি, সালেঙ্কো, ইউসেবি ও এনের ভালেন্সিয়ার, ৬টি করে। ১৯৬৬ সালে পর্তুগালের টানা ছয়টি গোল করেন কিংবদন্তি ইউসেবিও। ২০১৪ ও ২০২২ আসর মিলিয়ে একুয়েডরের টানা ছয়টি গোল করেন ভালেন্সিয়া।