Published : 04 Jun 2026, 09:51 PM
একের পর এক আক্রমণ করেও গোল করতে পারেনি নেদারল্যান্ডস। উল্টো তাদের জালে বল পাঠিয়ে স্মরণীয় এক জয়ের আনন্দে মাতে আলজেরিয়া। বিশ্বকাপের আগে শক্তিতে পিছিয়ে থাকা আফ্রিকার দলটির বিপক্ষে এই হারকে সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন ডাচ কোচ রোনাল্ড কুমান।
ঘরের মাঠে বুধবার প্রীতি ম্যাচটি ১-০ গোলে হারে নেদারল্যান্ডস। ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে ভেতরে ঢুকে জোরাল শটে দূরের কোণা দিয়ে গোলটি করেন আনিস হাজ মুসা।
২৪ বছর বয়সী উইঙ্গার ক্লাব ফুটবলে খেলেন ডাচ ক্লাব ফাইনর্টের হয়ে। ক্লাবের ঘরের মাঠেই আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম গোল করে দেশকে জেতালেন মুসা।
আলজেরিয়ার বিপক্ষে হারের পর কুমানের কণ্ঠে ঝরে হতাশা।
“আমি হারকে ভীষণ ঘৃণা করি। এটা এমন একটা ম্যাচ, যেটা আমাদের জেতা উচিত ছিল। ঘরের মাঠের এসব ম্যাচ জিততেই হবে; র্যাঙ্কিংয়ে আমাদের অবস্থানই সেটার দাবি রাখে।”
ম্যাচের প্রথম ২৫ মিনিটে আধিপত্য করে নেদারল্যান্ডস। আক্রমণের ঝড় বইয়ে দেয় তারা। বেশ কয়েকটি দারুণ সুযোগ তৈরি করেও সফল হতে পারেনি ডাচরা। ম্যাচ হারের জন্য শেষ দিকে ছন্দ হারিয়ে ফেলাকে দায় দিচ্ছেন ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে অষ্টম স্থানের দলের কোচ।
“চার-পাঁচটি পরিষ্কার সুযোগ পেলে, গোল করতেই হবে। এমনকি তা না হলেও, সেটাকে সমস্যায় রূপ নিতে দেওয়া যাবে না।”
“কিন্তু এরপর আমরা ম্যাচটি নিজেদের জন্য কঠিন করে তুলি। কিছু সময়ে আমাদের খেলায় আগ্রাসী ভাবের ঘাটতি ছিল, আমরা খুব বেশি নমনীয় হয়ে পড়েছিলাম।”
মূল মঞ্চে হারের চেয়ে প্রস্তুতি ম্যাচে পরাজয় ভালো কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে কুমান বলেন, “না।”
তবে এই হারকে সামনের পথচলার জন্য জেগে ওঠার ডাক হিসেবে দেখছেন তিনি।
“জয় সবসময়ই একটা অন্যরকম অনুভূতি দেয়। হার সবসময়ই খারাপ। এখন এটা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ারও দরকার নেই, তবে আমাদের আবারও খুঁটিনাটি ভুলগুলো খুঁজে ঠিক করতে হবে। এই হারকে সতর্কবার্তা বলতে পারেন।”
আগামী ১৪ জুন জাপানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে নেদারল্যান্ডস। ‘এফ’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ সুইডেন ও তিউনিসিয়া।
মূল অভিযান শুরু করার আগে, আগামী সোমবার বিশ্বকাপের নবাগত দল উজবেকিস্তানের বিপক্ষে আরেকটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে নেদারল্যান্ডস।