Published : 28 Jun 2026, 08:52 AM
গ্রুপ পর্বে সেরা হওয়ার পথে ব্রাজিল গোল করেছে সাতটি। এর মধ্যে চারটি ভিনিসিউস জুনিয়রের, তিনটি মাতেউস কুইয়ার। দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার এখনও পাননি জালের দেখা। তরুণ ফরোয়ার্ড এন্দ্রিকও তাই। তবে, হায়ানের মনে হচ্ছে, দলের প্রয়োজনে এগিয়ে আসার, হাল ধরার মতো খেলোয়াড়ের অভাব নেই। মাঠে যেই খেলুক, ব্রাজিল দলের মান থাকবে ব্রাজিলের মতোই।
দুই জয় ও এক ড্রয়ে ‘সি’ গ্রুপের সেরা হয়ে, উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে ব্রাজিল। সেরা ষোলোয় ওঠার লড়াইয়ে তাদের মুখোমুখি হতে হবে এশিয়ার দল জাপানের। হাইতির বিপক্ষে বদলি নেমে, বিশ্বকাপে অভিষিক্ত হওয়া হায়ান মনে করেন, এখন আর কোনো ভুলের সুযোগ নেই।
“গ্রুপ পর্বে, আমরা জানতাম, আমাদের ভুলগুলো শুধরে নিতে পারব। কিন্তু এখন আর সেই সুযোগ নেই। হয় মারতে হয়, নয় মরতে হবে।”
বিশ্বকাপের রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের ষষ্ঠ শিরোপার অপেক্ষা চলছে সেই ২০০২ সাল থেকে। ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তির হাত ধরে, স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্য নিয়ে এবার এসেছে তারা। মরক্কোর বিপক্ষে ড্রয়ের ধাক্কা সামলে, প্রত্যাশিতভাবে পেরিয়েছে গ্রুপের বাধা।
আসরের ‘ফেভারিট’দের একটি হলেও, ব্রাজিলের আক্রমণভাগ নিয়ে কিছুটা প্রশ্ন রয়েই গেছে। চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরা নেইমার এখনও হয়ে আছেন নিজের ছায়া। ভিনিসউস ও কুইয়া এখন পর্যন্ত মেটাচ্ছেন দলের গোলের দাবি।
১৯ বছর বয়সী হায়ান অবশ্য উইংয়ে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন স্কটল্যান্ড ম্যাচে। প্রথমবার শুরুর একাদশে জায়গা পেয়ে, সপ্তম মিনিটে দলকে এগিয়ে নেওয়া ভিনিসিউসের গোলে অবদান রাখেন তিনি। পেলের পর ব্রাজিলের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে বিশ্বকাপে অ্যাসিস্ট করার কীর্তি এখন তার। ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে ১৭ বছর বয়সে সতীর্থের গোলে অবদান রেখেছিলেন পেলে।
সামনের পথচলায় দল নিয়ে আশাবাদী হায়ান। বললেন, মাঠে যেই নামুক, ব্রাজিলের মানের হেরফের হবে না একটুও।
“মানসম্পন্ন খেলোয়াড়দের নিয়ে আমাদের দলটা খুবই শক্তিশালী। কেউ যদি মাঠে নামে এবং কেউ যদি উঠে যায়, আমি মনে করি, আমরা একই মানের দল থাকব।”
“যদি আমি মাঠ থেকে উঠে যাই, এন্দ্রিক নামবে কিংবা নেইমার নামবে। ম্যাচের নির্দিষ্ট মুহূর্ত অনুযায়ী আনচেলত্তি সেরা খেলোয়াড় বেছে নিচ্ছেন খেলানোর জন্য এবং আমি মনে করি, এটা ভালোভাবে কাজ করছে। যে পথটা আমরা ভালোভাবে অনুসরণ করে আসছি, সে পথেই ছুটব।”