Published : 09 Jul 2026, 12:40 PM
ম্যাচে তো একাধিক সেভ করেছেনই গ্রেগর কোবে, টাইব্রেকারেও ছিলেন দুর্দান্ত। তার একটি সেভ পেনাল্টি শুটআউটে গড়ে দেয় ব্যবধান। ছয় যুগ পর সুইজারল্যান্ডের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার আনন্দে আত্মহারা এই গোলরক্ষক। তার মতে, সুইসদের জন্য এটা অবিশ্বাস্য এক অর্জন।
কলম্বিয়ার বিপক্ষে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জেতে সুইজারল্যান্ড। নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময়ে গোল করতে পারেনি দুই দলের কেউ।
ম্যাচে তিনটি সেভ করেন প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে আসা কোবে। আর টাইব্রেকারে ডানদিকে ঝাঁপিয়ে তিনি ঠেকিয়ে দেন কলম্বিয়ার কুচো এর্নান্দেসের শট। বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের গোলরক্ষকের ওই সেভই সুইজারল্যান্ডের জয়ে রাখে সবচেয়ে বড় অবদান। টানা তিন আসরে শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়া সুইসরা জায়গা করে নেয় শেষ আটে।
নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে এনিয়ে তৃতীয়বার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠল সুইসরা। সবশেষ তারা ওই পর্যায়ে যেতে পেরেছিল ৭২ বছর আগে, ১৯৫৪ সালে। বিশ্ব আসরে শেষ আটে খেলাই তাদের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় সাফল্য।
যুগের পর যুগ অপেক্ষার পর নিজেদের সেরা সাফল্য ছুঁয়েছে সুইজারল্যান্ড। স্বাভাবিকভাবেই খুশিতে পাগলপ্রায় তারা। কলম্বিয়ার বিপক্ষে সুইসদের জয়ের নায়ক কোবের কণ্ঠেও ঝরল সেই উচ্ছ্বাস।
“এটা আমাদের জন্য, এই দলের জন্য, সুইজারল্যান্ডের জন্য কত বড় অর্জন; আমার মনে হয় না সেটা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় খেলায় (প্রতিযোগিতায়), আমাদের মতো ছোট একটি দেশের শীর্ষ আটটি দলের মধ্যে জায়গা করে নেওয়া, সত্যিই অবিশ্বাস্য। দলের প্রতিটি সদস্য, সমর্থক এবং যারা এই মুহূর্তটির সাক্ষী হয়েছেন, তাদের সবার জন্য আমি অত্যন্ত আনন্দিত।
“বছরের পর বছর ধরে এই দলের সঙ্গে থাকা ছেলেদের কথা যখন ভাবি, আর আজ এখানে উপস্থিত সবাইকে দেখি, তখন অনুভূতিগুলো ভাষায় প্রকাশ করা সত্যিই কঠিন। এই অর্জনের যত প্রশংসাই করা হোক না কেন, তা কম হবে। অনুভূতিটা অসাধারণ, আর এটি সত্যিই এক অবিশ্বাস্য অর্জন।”
সেমি-ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সুইজারল্যান্ডের প্রতিপক্ষ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ক্যানসাস সিটিতে বাংলাদেশ সময় আগামী ১২ জুলাই ৭টায় (এএম) লিওনেল মেসির দলের মুখোমুখি হবে গ্রানিত জাকার দল।