২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্রে আসার অনুমতি পেয়েছেন ভজিনিয়ার মা

উরুগুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামার আগেই মাকে পাশে পাচ্ছেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 19 Jun 2026, 02:59 PM

Updated : 19 Sep 2026, 02:29 PM

অবশেষে ভজিনিয়ার ইচ্ছা পূরণ হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের অনুমতি পেয়েছেন বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের দারুণ অভিষেকের নায়কোচিত পারফরম‍্যান্স উপহার দেওয়া এই গোলরক্ষের মা। বাবা ও ভাইয়ের পর এবার মাকে পাশে পাবেন, ভাবতেই ভালো লাগছে এই গোলরক্ষকের।

উরুগুয়ে বিপক্ষে কেপ ভার্দের দ্বিতীয় ম্যাচের আগেই যুক্তরাষ্ট্রে আসবেন ভজিনিয়ার মা আনা কান্দিদা ইভোরা। আগামী সোমবার বাংলাদেশ সময় ভোরে মায়ামিতে হবে ম্যাচটি। স্টেডিয়ামের গ্যালারি থেকে ছেলের খেলা দেখার কথা রয়েছে ইভোরার।

বিশ্বকাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচে ভজিনিয়ার দারুণ কৃতিত্বে ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে রুখে দিয়ে চমক দেখায় কেপ ভার্দ। সেদিন সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক।

স্প্যানিশদের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রাখা ভজিনিয়া ম্যাচ শেষে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। অশ্রুসজল হয়ে আক্ষেপ করে বলেছিলেন, ভিসার উচ্চ খরচের কারণে মাকে যুক্তরাষ্ট্রে আনতে পারেননি তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন ভিসা নীতির কারণে দেশটিতে ভ্রমণ করতে বেশ কয়েকটি দেশের ভ্রমণকারীদের ১৫ হাজার ডলার বন্ড দিতে হয়। সেই তালিকায় আছে কেপ ভার্দও। তবে যারা টিকেট কেটে বিশ্বকাপ দেখতে আসবেন, তাদের জন্য এখন এই নিয়মে শিথিলতা আনা হয়েছে।

ভজিনিয়ার সেই আকুতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নড়েচড়ে বসে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। ভজিনিয়ার মাকে যুক্তরাষ্ট্রে আনার প্রক্রিয়া শুরু করার কথা জানায় দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। আর বৃহস্পতিবার ইভোরাকে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হয়।

ভিসা পেয়ে ইতোমধ্যে কেপ ভার্দের রাজধানী প্রাইয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন ইভোরা। মায়ামি স্টেডিয়ামে বসেই ভজিনিয়ার খেলা উপভোগ করতে পারবেন তিনি।

ভজিনিয়ার খেলা দেখতে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে আছেন তার বাবা ও ভাই। এবার পাশে পাবেন তিনি মাকেও। 

“এটা (পরিবার পাশে থাকা) আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পরিবার সবকিছুতে সবসময় আমাকে সমর্থন দিয়েছে।”

“তার (মা) পাশে থাকা আমার জন্য আরও বিশেষ। বাবা ও ভাই এখানে আছেন, তাই আমি অনেক খুশি। যদি পারতাম, তাহলে আমার ভাই-বোনদের, তাদের ছেলে-মেয়েদেরও আনতাম। কিন্তু মাঝেমধ্যে মনে হয় এটা কঠিন কাজ।”