Published : 20 Sep 2026, 04:51 PM
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাসহ ৪ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তাদের রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানির দিন রাখা হয়েছে মঙ্গলবার।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম রোববার এ আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের বংশাল ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ৬ নম্বর ইউনিটের দপ্তর সম্পাদক
রায়হান উদ্দিন, রাসেল খান, মো. আলা উদ্দিন ও আব্দুল্লাহ মাসহুর আশরাফী।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ওয়ারী জোনের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা আসামিদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মহিন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে আসেননি। এ জন্য আসামিদের কারাগারে পাঠিয়ে মঙ্গলবার রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।”
যাত্রাবাড়ী থানার সামনে গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, আশপাশে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও দেখে একজনকে শনাক্ত করার পর শনিবার বংশাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা রায়হানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওইদিন রাত সোয়া ১২টার দিকে লালবাগের জেন সাহা রোডের একটি দশ ভবনের নিচতলার পার্কিংয়ে ইটের খোয়ার বস্তার মধ্যে লাল টেপ মোড়ানো চারটি ককটেল উদ্ধার করা হয়। ডিএমপির বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে।
রায়হানকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডেমরার ডগাইর এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় রাসেল, আলা উদ্দিন ও আব্দুল্লাহকে।
ওই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানার এসআই জুয়েল রানা বিস্ফোরক আইনে শনিবার মামলা করেন।