Published : 30 Jun 2026, 04:53 PM
সেই ১৯৩৮ সালে সবশেষ বিরতির সময় পিছিয়ে থেকেও নকআউট পর্বের কোনো ম্যাচে জিততে পেরেছিল ব্রাজিল। ৮৮ বছর পর তেমন কিছু করতে পারল কার্লো আনচেলত্তির দল।
শেষ বত্রিশে জাপানের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ২-১ গোলে জিতেছে ব্রাজিল। রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের অর্জন তুলে ধরা হলো পাঠকদের জন্য-
১১
টানা ১১ বার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল ব্রাজিল।
৯৫
ম্যাচের ৯৫ মিনিটে গোল করে ব্রাজিলকে জয় এনে দেন গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। এটাই বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সবচেয়ে দেরিতে করা ম্যাচজয়ী গোল। বিশ্বকাপে নির্ধারিত সময়ে নক আউট পর্বে যে কোনো দলের সবচেয়ে দেরিতে করা ম্যাচজয়ী গোল।
৮৮
১৯৩৮ বিশ্বকাপের পর প্রথমবার প্রথমার্ধে পিছিয়ে থাকার পরও নকআউট পর্বে জয় পেল ব্রাজিল। সেবার চেকোস্লোভাকিয়ার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল তারা।
প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ে নকআউট পর্বে চারবার ম্যাচ হারে ব্রাজিল।
শেষবার নকআউট পর্বে পিছিয়ে পড়ে জয় পায় ২০০২ বিশ্বকাপে। সেবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার-ফাইনালে প্রথমে পিছিয়ে পড়ে ১-১ সমতায় বিরতিতে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে তারা।
১৬
বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে পিছিয়ে পড়ে ষোড়শ বারের মতো জয় পেল ব্রাজিল। এই রেকর্ডে যৌথভাবে চূড়ায় তাদের সঙ্গী জার্মানি।
২
জাপানের বিপক্ষে ম্যাচে ব্রাজিলের শুরুর একাদশের গড় বয়স ছিল ২৯ বছর ২৪৫ দিন। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এটাই দলটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গড় বয়স (১৯৬৬ বিশ্বকাপ থেকে রেকর্ড রাখা হচ্ছে। তখন থেকে হিসাব করে)।
২০০৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে ব্রাজিলের শুরুর একাদশের গড় বয়স ছিল ৩০ বছর ৩১ দিন, গড় বয়সের হিসেবে এখন পর্যন্ত এটাই সবার উপরে।
৩
জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের শুরুর একাদশে থাকা হায়ানের বয়স ১৯ বছর ৩৩০ দিন। তৃতীয় সবচেয়ে কম বয়সী ফুটবলার হিসেবে ব্রাজিলের হয়ে নকআউট পর্বে খেললেন তিনি। যৌথভাবে তার সঙ্গে তিন নম্বরে আছেন আলতাফিনি। তাদের দুজনের উপরে আছেন পেলে (১৭ বছর ২৩৯ দিন) ও মার্কো আন্তোনিও (১৯ বছর ১২৮ দিন)।
৪
এবারের আসরে ব্রুনো গিমারেস অ্যাসিস্ট করেছেন ব্রাজিলের ৪ গোলে। বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্টের রেকর্ড পেলের দখলে। ১৯৭০ বিশ্বকাপে তিনি ৬ অ্যাসিস্ট করেছিলেন (১৯৬৬ বিশ্বকাপ থেকে)।
৫
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত পাঁচবার কার্ড দেখেছেন কাসেমিরো। ২০১৮ সালে বিশ্বকাপে তার অভিষেকের পর যে কোনো দেশের যে কোনো খেলোয়াড়ের যা সর্বোচ্চ। নকআউট পর্বে চার ম্যাচে তিনবার কার্ড দেখেছেন।
৩৪ বছর ১২৬ দিন
ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সবচেয়ে বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে গোল করেছেন কাসেমিরো। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করেন বেবেতো (৩৪ বছর ১৩৭ দিন)।
২১০
জাপানের আক্রমণভাগে ২১০টি সফল পাস দিয়েছে ব্রাজিল। বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগে এটাই দলটির সর্বোচ্চ পাস।