Published : 29 Jun 2026, 01:14 PM
জেসি মার্শের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনে। দেশটির জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন, ছিলেন সহকারী কোচও। কিন্তু এখন তার সব ভাবনা কানাডাকে ঘিরে, যে দলের দায়িত্বে আছে তিনি। তাই স্পষ্ট বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রতিপক্ষ নিয়ে তাদেরকে কোনো পরামর্শ দেবেন না।
মার্শের কোচিংয়ে গ্রুপ রানার্স আপ হয়ে বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশে উঠেছে এবারের আসরের সহ-আয়োজকদের একটি কানাডা। রোববার নকআউট পর্বের প্রথম ধাপও পার করে ফেলেছে তারা। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১-০ গোলে হারিয়ে জায়গা করে নিয়েছে শেষ ষোলোয়।
শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে আগামী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সকালে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার মুখোমুখি হবে যুক্তরাষ্ট্র। এই বসনিয়ার বিপক্ষেই গ্রুপ পর্বে খেলেছিল কানাডা, করেছিল ১-১ ড্র।
দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের পর তাই মার্শকে জিজ্ঞাস করা হয়, বসনিয়া ম্যাচ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কোনো পরামর্শ কিংবা সতর্কবার্তা দেবেন কিনা তিনি। জবাবে তিনি বলেন, “আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ, তবে সত্যি বলতে আমি ওসব নিয়ে ভাবি না।”
“এটা যুক্তরাষ্ট্রকেই খুঁজে বের করতে হবে। আর বসনিয়ার খেলা ম্যাচগুলো দেখে তারা শিক্ষা নিতে পারে। আমি তাদের দলের কয়েকজন খেলোয়াড়কে চিনি; বসনিয়া দলটা লড়াকু মানসিকতার, তাই তাদের বিপক্ষে খেলা মোটেও সহজ ছিল না। ম্যাচের পর আমি তাদের বেশ প্রশংসাও করেছিলাম। আমার মনে হয়েছিল, সেই ম্যাচে আমরা আরও ভালো করতে পারতাম। তবে আমার বিশ্বাস, তারা (বসনিয়া) যার বিপক্ষেই খেলুক না কেন, বেশ কঠিন লড়াই উপহার দেবে।”
খেলোয়াড় হিসেবে মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ১৩ মৌসুম কাটান মার্শ। প্রথমে ডিসি ইউনাইটেড (১৯৯৬-৯৭), এরপর শিকাগো ফায়ার (১৯৯৮-২০০৫) এবং চিভাস ইউএসএ-এর (২০০৬-০৯) হয়ে খেলেন তিনি। এমএলএসের পাশাপাশি অস্ট্রিয়ান বুন্ডেসলিগা ও প্রিমিয়ার লিগে কোচের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
চলতি বিশ্বকাপের শুরুর দিকে একটি মন্তব্য করে মার্শ বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন। মার্শ বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কোচ বব ব্র্যাডলি এবং তিনি, বিশ্বকাপের ম্যাচ শুরুর আগে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য খেলোয়াড়দের ‘এক প্রকার অনুরোধ’ করতেন।
মার্শ ২০১০-১১ সাল পর্যন্ত ব্র্যাডলির কোচিং স্টাফের সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের মে মাসে কানাডা দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব নেন তিনি।