Published : 24 Jun 2026, 09:08 PM
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের একটি ঘটনায় রেফারিং নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঘানা কোচ কার্লোস কেইরস। তার মতে, প্রিন্স এদুকে ইংলিশ ডিফেন্ডার এজরি কন্সার করা ট্যাকলে তাদের পেনাল্টি পাওয়া উচিত ছিল।
বস্টন স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার রক্ষণভাগের দারুণ পারফরম্যান্সে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের গোলশূন্য ড্রয়ে রুখে দেয় ঘানা।
ম্যাচের ৭৯তম মিনিটে বল নিয়ে ইংল্যান্ডের বক্সে ঢুকে পড়েন ঘানার মিডফিল্ডার এদু। পাশ থেকে পা বাড়িয়ে তাকে ফেলে দেন কন্সা। প্রাথমিকভাবে, এটাকে গুরুত্বপূর্ণ ট্যাকল বলেই মনে হচ্ছিল। তবে রিপ্লেতে দেখা যায়, আদতে বলের পরিবর্ততে এদুর গায়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন কন্সা।
ঘানার খেলোয়াড়দের পেনাল্টির আবেদন নাকচ করে দেন হন্ডুরাসের রেফারি সাইদ মার্তিনেস। উল্টো ইংল্যান্ডকে ফ্রি-কিক দেন তিনি।
ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে কেইরস ব্যঙ্গাত্মক সুরে প্রশ্ন তোলেন, ভিএআর (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) কেন ব্যবহার করা হয়নি।
“বিশ্বকাপে কি এখনও ভিএআর কাজ করছে? ভিএআর তো কফি খেতে গিয়েছিল। এটা স্পষ্ট পেনাল্টি এবং (কন্সার) লাল কার্ড পাওয়া উচিত ছিল। এ ব্যাপারে আপনাদের কি কোনো সন্দেহ আছে, নাকি শুধু আমিই খেলাটা দেখছিলাম?”
“আমার এই বিদ্রূপের জন্য আমি দুঃখিত, কিন্তু এই ধরনের কথা যদি গুরুতরভাবে বলি, তাহলে তারা (ফিফা) আমাকে শাস্তি দেবে। তাই আমি মজা করেছি।”
প্রিমিয়ার লিগের সাবেক সহকারী রেফারি ড্যারেন ক্যানও মনে করেন, ঘানার পেনাল্টি পাওয়া উচিত ছিল।
“এজরি কন্সাকে ওই চ্যালেঞ্জটি করতে দেখে আমাদের বুক ধড়ফড় করছিল। পেনাল্টিটি না দেওয়ায় ইংল্যান্ডের সমর্থক হিসেবে আমি খুব খুশি, কিন্তু আমাকে সত্যি কথা বলতেই হবে- মাঠে পর্যালোচনার জন্য এটা রেফারির কাছে পাঠানো উচিত ছিল।”
“কন্সা বল স্পর্শই করেননি, সে তার প্রতিপক্ষকে ফেলে দিয়েছে। আমার মতে, এটা পেনাল্টি কিক। এই টুর্নামেন্টে আমরা এখন পর্যন্ত সাতটি পেনাল্টি দেখেছি। আমি খুব খুশি যে, এটা অষ্টমটি ছিল না।”