আবাহনীকে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখল মেরিনার্স

ফাইনালে ২-০ গোলে জিতেছে গত আসরের চ্যাম্পিয়নরা।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 2 March 2024, 02:15 PM
Updated : 2 March 2024, 02:15 PM

দুই অপরাজিত দলের মধ্যে লড়াই হলো বেশ। সেখানে একটু এগিয়েই থাকল মেরিনার ইয়াংস। ক্লাব কাপ হকির ফাইনালে আবাহনীকে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখল টুর্নামেন্টজুড়ে আলো ছড়ানো দলটি। 

মওলানা ভাসানী জাতীয় হকি স্টেডিয়ামে শনিবার ২-০ গোলে জিতেছে মেরিনার্স। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে গোল দুটি করেছেন দিপক ও ফজলে হোসেন রাব্বী। 

আক্রমণাত্মক হকিতে শুরুতে মেরিনার্সকে চেপে ধরে আবাহনী। পাঁচ মিনিটের মধ্যে তৈরি করে দুটি সুযোগ। তবে সেগুলো কাজে লাগাতে দেননি মেরিনার্স গোলরক্ষক আবু সাইদ নিপ্পন। 

ধীরে ধীরে গুছিয়ে নেয় মেরিনার্স। আদায় করে নেয় পরপর কয়েকটি পেনাল্টি কর্নার। আবাহনীকে চাপে রেখে ২০তম মিনিটে এগিয়ে যায় মেরিনার্স। সার্কেলের ভেতর থেকে কোনাকুনি হিটে জাল খুঁজে নেন ভারতীয় ফরোয়ার্ড দিপক। 

দুই মিনিট পর একটি পেনাল্টি কর্নার নিয়ে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে উত্তেজনা ছড়ায় মাঠে। প্রায় ১৫ মিনিটের মতো বন্ধ থাকে খেলা। পেনাল্টি কর্নার না পাওয়ায় মাঠের এক কোণে চলে যান মেরিনার্সের খেলোয়াড়রা। বেশ কিছুক্ষণ আলোচনার পর আম্পায়ার পেনাল্টি কর্নার দেন। সেটি কাজে লাগাতে পারেনি মেরিনার্স। 

তৃতীয় কোয়ার্টারের শেষ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় গত আসরের চ্যাম্পিয়নরা। পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে বল জালে পাঠান রাব্বী। 

চতুর্থ কোয়ার্টারে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে আবাহনী। এক পর্যায়ে টানা দুইটি পেনাল্টি কর্নারও পায় তারা কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি কোনোটিই। তাতে অপরাজিত থেকেই শিরোপা উৎসবে মাতে মেরিনার্স।

এ নিয়ে টানা দুইবার দলটির বিপক্ষে ফাইনালে হারল আবাহনী। ২০১৮ সালের পর এই শিরোপা জয়ের অপেক্ষা আরও বাড়ল তাদের। এবারের ফাইনালে হারের কারণ হিসেবে ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতাকেই দায়ী করলেন দলটির কোচ হেদায়েতুল ইসলাম।

“আমরা সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি তাই হেরেছি। ফিনিশিং ব্যর্থতা চোখে পড়ার মত ছিল। পেনাল্টি কর্নার কাজে লাগাতে না পারা অন্যতম কারণ। এখানেই আমরা পিছিয়ে পড়েছি।”

অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পেছনে দলীয় ঐক্যের সুরের কথা বললেন মেরিনার্স কোচ মামুন উর রশিদ।

“আমাদের দলের পরিবেশ খুবই ভালো ছিল। সবার মধ্যেই বিশ্বাস ছিল, যে যখন টার্ফে নামবে সেই সেরাটা দিবে। ফাইনালেও ছেলেরা সেটা দিতে পেরেছে।”