অন্যরকম আনন্দের ম্যাচে পেনাল্টি মিস আমিনুলের, খেললেন তিনি দুই দলেই
প্রীতি ম্যাচে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ীদের হারাল ২০১০ সালের এসএ গেমসের সোনা জয়ী দল।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক খেললেন দুই দলেই। ফলে নিজে পেনাল্টি মিস করলেও, তিনি একই সাথে পেলেন জয় ও হারের স্বাদ! জাতীয় স্টেডিয়ামে আমিনুল-বিপ্লব-আলফাজ এই সাবেক তারকাদের মিলনমেলায় মিলল ভিন্ন আমেজের স্বাদ।
আগামী বৃহস্পতিবার ঢাকায় শুরু হতে যাওয়া সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রচারণার অংশ হিসেবে রোববার মাঠে নামেন বাংলাদেশকে দারুণ সব সাফল্য এনে দেওয়া নায়কেরা। ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ও ২০১০ সালের এসএ গেমসের সোনা জয়ী দলের মধ্যকার প্রীতি ম্যাচে এসএ গেমস জয়ীরা জিতলেন ২-১ গোলে।
ম্যাচের বিরতিতে অবশ্য ছিল কিছুটা বিষাদের আবহ। বাংলাদেশকে প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জেতানো কোচ জর্জ কোটান না ফেরার দেশে পাড়ি জমান ২০২৩ সালে। অস্ট্রিয়ান এই কোচের স্মরণে এক মিনিট নিরবতাও পালন করা হয়।
দুই দলের খেলোয়াড়রা ফাইনালে জেতা সেই জার্সির আদলে নতুন করে বানানো জার্সি পরে নেমেছিলেন। সাফ ও এসএ গেমস জয়ী দুই দলেই খেলেছিলেন আমিনুল। এদিনও তিনি খেললেন দুই দলের হয়ে। সাফ চ্যাম্পিয়ন দলে আমিনুল ৯ নম্বর এবং এসএ গেমসে সোনাজয়ী দলে খেললেন ১ নম্বর জার্সি গায়ে।
এসএ গেমস জয়ী দলের হয়ে গোল করেন নাসিরুল ইসলাম নাসির ও মিঠুন চৌধুরী। সাফ জয়ী দলের গোলটি করেন সাবেক স্ট্রাইকার আলফাজ আহমেদ।
শেষ দিকে এসএ গেমস জয়ী দলের হয়ে গোল পেতে পারতেন আমিনুল। তার দুর্বল পেনাল্টি আটকে দেন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ দলের গোলরক্ষক বিপ্লব ভট্টাচার্য্য।
