Published : 04 Aug 2023, 06:46 PM
গত মৌসুমে বাফুফের এলিট একাডেমি থেকে ধারে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে খেলেছিলেন মিরাজুল ইসলাম। নতুন মৌসুম সামনে রেখে একাডেমির খেলোয়াড়দের দিকে ঝুঁকছে লিগের আরও কয়েকটি দল। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) আপাতত ক্লাবগুলোর সঙ্গে সরাসরি আলাপে যেতে আগ্রহী নয়। নিলামের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের ধারে ক্লাবগুলোকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের ফুটবলের নিয়ন্তা সংস্থাটি।
আসছে সেপ্টেম্বরে নেপাল ও ভুটানে হতে যাওয়া সাফের দুটি বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট নিয়ে শুক্রবার সভায় বসেছিল বাফুফের ডেভেলপমেন্ট কমিটি। সেখানেই এলিট একাডেমির খেলোয়াড়দের প্রতি ক্লাবগুলোর আগ্রহ নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় উপস্থিত সদস্যরা নিলামে খেলোয়াড় ছাড়ার ব্যাপারে মত দিয়েছেন বলে সভা শেষে জানান ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক।
“আমাদের এলিট একাডেমির কিছু খেলোয়াড় ব্রাদার্স ইউনিয়ন, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র ও মোহামেডান স্পোর্টিং-এই তিনটা ক্লাব চেয়েছে। এই প্লেয়ারদের কিভাবে ধারে দিতে পারি, সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।”

“আলোচনায় প্রায় সব সদস্যই উপস্থিত ছিল। সবাই একমত হয়েছে যে, আমাদের এলিট একাডেমির খেলোয়াড়দের যেহেতু একাধিক ক্লাব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে, সেহেতু আমরা ক্লাবের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় না গিয়ে, নিলামের মাধ্যমে যারা সর্বোচ্চ দাম হাঁকবে তাদেরকে দিব।”
নিলামে প্রাপ্ত অর্থ খেলোয়াড় ও বাফুফের মধ্যে কিভাবে বন্টন করা হবে, সে বিষয়ে অবশ্য বলতে রাজি হননি মানিক। তবে জানালেন, জমকালোভাবেই নিলাম প্রক্রিয়া আয়োজন করবেন তারা।
“এই বিডিং হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে করব, নিলামের দিনক্ষণ পরবর্তীতে আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হবে।”
২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে শুরু হয় এলিট একাডেমি। বর্তমানে ছয় কোচের অধীনে ৫৬ জন উঠতি খেলোয়াড় আগামীর জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন এই একাডেমিতে।