আমৃত্যু গোলটি মনে থাকবে বার্সার ইলাইশের

বার্সেলোনা মূল দলের হয়ে প্রথম গোল করে যেন আনন্দের সাগরে ভাসছেন ইলাইশ মোরিবা। লিওনেল মেসির দারুণ পাস পাওয়ার পর বলের জাল স্পর্শ করা পর্যন্ত ঘটনা স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে এই তরুণ মিডফিল্ডারের। আমৃত্যু এই গোলের স্মৃতি বুকে ধারণ করবেন বলে জানালেন তিনি।

স্পোর্টস ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 7 March 2021, 11:18 AM
Updated : 7 March 2021, 11:20 AM

লা লিগায় ওসাসুনার মাঠে রোববার ২-০ ব্যবধানের জয়ে বার্সেলোনার দ্বিতীয় গোলটি করেন বদলি নামা ইলাইশ। প্রথমার্ধে জর্দি আলবার গোলে এগিয়ে গিয়েছিল কাতালান ক্লাবটি।

ম্যাচের ৮৩তম মিনিটে ডি-বক্সের মাথায় মেসির বাড়ানো বল ধরে ডান পায়ের টোকায় ডিফেন্ডারদের এড়িয়ে বাম পায়ের জোরালো শটে জাল খুঁজে নেন ইলাইশ। ডানে ঝাঁপিয়ে বল ছুঁয়েছিলেন গোলরক্ষক, কিন্তু জালে যাওয়া ঠেকাতে পারেননি তিনি। বার্সেলোনার হয়ে নিজের প্রথম গোলের উল্লাসে মাতেন ১৮ বছর বয়সী ইলাইশ।

ম্যাচ শেষে সেই মুহূর্তের বর্ণনা দিতে গিয়ে গিনিতে জন্ম নেওয়া এই স্প্যানিশ বলেন, মেসির অসাধারণ পাসটি পাওয়ার পর কী হলো, তা ঠিক তার মনে নেই।

“আমি গোলে শট নিতে পছন্দ করি…ঠিক মনে নেই কীভাবে কাট করে বাঁ পায়ে শট নিয়েছিলাম…সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ, বল জালে জড়িয়েছিল।”

“এই গোলের স্মৃতি আমি কখনোই ভুলব না। আমৃত্যু মনে রাখব।”

এই মাঠেই গত বছর সিনিয়র দলের হয়ে নিজের প্রথম গোলটি করেছিলেন বার্সেলোনার আরেক তরুণ প্রতিভা আনসু ফাতি। ১৮ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ডকে ভাইয়ের মতো দেখেন ইলাইশ।

“আনসু আমার কাছে ভাইয়ের মতো। তার অনেক ভালোবাসা পেয়েছি। তার মতো এখানে গোল করতে পেরে আমি খুব খুশি।”

যুব দল থেকে রোনাল্ড কুমানের মূল দলে প্রমোশন পাওয়ার পর ষষ্ঠ ম্যাচে এসে জালের দেখা পেলেন ইলাইশ। জানালেন, মাঠে সবসময় গোলের চেষ্টা করতে শুরু থেকেই কোচ তাকে পরামর্শ দিচ্ছেন।

“প্রথম দিন থেকেই কুমান বলে আসছেন, গোল করার চেষ্টা করতে। সেটাই করেছি আমি।”

এভাবে খেলে যেতে চান ইলাইশ, দলকে জেতাতে চান লা লিগা শিরোপা। প্রথম গোলটি তিনি উৎসর্গ করেছেন মা-বাবা ও পরিবারকে।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক