কিছুটা আফসোস নিয়ে ভারত ও সিঙ্গাপুর ম্যাচের লক্ষ্য জানালেন কাবরেরা
ভারত ম্যাচের আগে আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলতে পারলে ভালো হতো বলে মনে করেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ।
কদিন আগে জন্ম হয়েছে জমজ সন্তানের। পরিবারের পাশে থাকতে তাই স্পেনে ছিলেন হাভিয়ের কাবরেরা। তার অনুপস্থিতিতেই চলছিল অনুশীলন। ছুটি কাটিয়ে ঢাকায় ফিরে দল নিয়ে প্রস্তুতিতে নেমে পড়লেন বাংলাদেশ কোচ। অনুশীলন শুরুর আগে আসছে ভারত ও সিঙ্গাপুর ম্যাচ নিয়ে জানালেন দলের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা।
এএফসি এশিয়ান কাপের তৃতীয় রাউন্ডের বাছাই উতরানোর সম্ভাবনা আগেই শেষ হয়ে গেছে। প্রথম চার ম্যাচে জয় মেলেনি একটিও। বাকি আছে ভারত ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ফিরতি লেগের ম্যাচ দুটি।
এই দুই ম্যাচের প্রথমটিতে আগামী ১৮ নভেম্বর জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এ মাঠেই মঙ্গলবার অনুশীলন সেরেছে দল। এই মুহূর্তে ১৫ জন আছেন ক্যাম্পে। বসুন্ধরা কিংসের খেলোয়াড়রা এখনও যোগ দেননি ক্যাম্পে।
ভারত ম্যাচের আগে নেপালের বিপক্ষে ১৩ নভেম্বরে প্রীতি ম্যাচও খেলবে বাংলাদেশ। সবশেষ গত সেপ্টেম্বরেও নেপালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল দল। কাঠমাণ্ডুর সেই ম্যাচ হয়েছিল গোলশুন্য ড্র।
এবার অবশ্য নেপাল নয়, আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলার পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশের; কিন্তু বিরূপ পরিস্থিতিতে ম্যাচটি আয়োজন সম্ভব না হওয়ায় হতাশ কাবরেরাও। ভারত ও সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে আফগানদের বিপক্ষে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে চেয়েছিলেন এই স্প্যানিশ কোচ।
“নেপাল ভালো করছে। তারা শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। গত সেপ্টেম্বরে তাদের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা আমাদের হয়েছে। তবে আমি মনে করি, আমাদের খেলার কথা ছিল আফগানিস্তানের সাথে, সম্ভবত তারা একটু বেশি শক্তিশালী দল (নেপালের চেয়ে), কিন্তু পরিস্থিতির কারণে সেটা সম্ভব হচ্ছে না। নেপালের বিপক্ষে ম্যাচও ভালো চ্যালেঞ্জিং হবে।”
“অবশ্যই এটাই লক্ষ্য (বাছাইয়ে ভারত ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে জেতা)। তবে এখন লক্ষ্য হচ্ছে, নেপাল ম্যাচের জন্য ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া এবং নিশ্চিতভাবেই ম্যাচটি জেতার লক্ষ্য। তবে মূল লক্ষ্য আপাতত আপনারা যেটা বলছেন, সেই-ঘরের মাঠে ভারতকে হারানো।”
গত মার্চে শিলংয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বাছাই শুরু করেছিল বাংলাদেশ। গোলশুন্য ওই ড্র ম্যাচ দিয়ে লাল-সবুজের জার্সিতে অভিষিক্ত হয়েছিলেন হামজা চৌধুরী। লেস্টার সিটির এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার বর্তমানে রয়েছেন ইংল্যান্ডে। তার ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার নির্দিষ্ট দিনক্ষণ জানাতে পারেননি কাবরেরা।
“দেখা যাক, সে কবে যোগ দেয়। আশা করি, আগামী ১০ তারিখের মধ্যে হামজা আসবে…যদি আমি ভুল না জেনে থাকি। সবকিছু যদি ঠিকঠাক থাকে, তাহলে সে খেলবে। সম্ভবত শোমিত সোম আরও পরে আসবে, কিন্তু আবারও বলছি, নেপালের বিপক্ষে ম্যাচে তাকে কিছুটা সময় খেলার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”
