৭ কোটি ইউরোয় ইয়োকেরেসকে ছাড়বে না স্পোর্তিং
এই সুইডিশ স্ট্রাইকারের প্রতি আগ্রহী ক্লাবগুলোকে সতর্ক করে দিলেন স্পোর্তিং লিসবনের সভাপতি।
স্পোর্তিং লিসবনের ভিক্তর ইয়োকেরেসের প্রতি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও আর্সেনালের আগ্রহের খবর শোনা যাচ্ছে বেশ কিছুদিন ধরে। ৭ কোটি ইউরোয় তার বর্তমান ক্লাব তাকে ছেড়ে দিতে প্রস্তুত বলেও খবর বেরিয়েছে সংবাদমাধ্যমে। তবে এমন খবর উড়িয়ে দিয়ে স্পোর্তিং সভাপতি ফেদেরিকো ভারান্দাস বলছেন, এত কম মূল্যে পাওয়া যাবে না সুইডিশ স্ট্রাইকারকে।
স্পোর্তিংয়ের হয়ে গত মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৫৪ গোল করা ইয়োকেরেসের চুক্তির মেয়াদ এখনও তিন বছর বাকি আছে। তার রিলিজ ক্লজ রয়েছে ১০ কোটি ইউরো।
পর্তুগালের সংবাদমাধ্যমের খবর, ৭ কোটি ইউরোয় দলবদলের অনুমতি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থেকে স্পোর্তিং সরে আসায় ক্লাবের প্রতি ক্ষুব্ধ ইয়োকেরেস। এমন খবরে বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ক্ষোভ প্রকাশ করে ইয়োকেরেসের এজেন্টের সমালোচনা করেন স্পোর্তিং সভাপতি ভারান্দাস।
“আমি নিশ্চয়তা দিতে পারি যে, ভিক্তর ইয়োকেরেস ৬ কোটি প্লাস ১ কোটি ইউরোয় ক্লাব ছেড়ে যাবে না, কারণ আমি কখনও প্রতিশ্রুতি দিইনি। এজেন্ট যে খেলাটা খেলছে, তা পরিস্থিতি আরও খারাপ করছে।”
ইয়োকেরেসের জন্য ৬ কোটি ইউরোর বেশি প্রস্তাব পেয়েছেন কি-না, এমন প্রশ্নে ভারান্দাস বলেন, “আজ পর্যন্ত, ভিক্তর ইয়োকেরেসের জন্য স্পোর্তিং কোনো প্রস্তাব পায়নি, আজও না, গত মৌসুমেও না।”
“সে চমৎকার একজন পেশাদার, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো প্রস্তাব সে পায়নি। স্পোর্তিংয়ের সঙ্গে তার তিন বছরের চুক্তি আছে।”
যদিও ভারান্দাস বলেছেন যে, ২৭ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়ের দলবদলের জন্য রিলিজ ক্লজের পুরোটা চাইবেন না তারা।
“আমরা জানতাম ভিক্তরের স্বপ্ন ছিল এমন একটি ক্লাবে যাওয়া যেখানে সে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে এবং আমাদের কাণ্ডজ্ঞান আছে। আমরা নিশ্চয়তা দিয়েছিলাম যে, আমরা ১০ কোটি ইউরো দাবি করব না।”
“আমি এই বাক্যটি বলেছিলাম: ‘আমাদের মূল্য নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ নয়, কারণ আমি জানি না এক বছরের মধ্যে কী হবে।’ জানি না ৪ কোটি ইউরো, ৬ কোটি ইউরো নাকি ৮ কোটি ইউরো হবে। আমি যা নিশ্চয়তা দিতে পারি তা হলো, আমি ১০ কোটি ইউরো দাবি করব না।”
এই মুহূর্তে ইউরোপের সেরা স্ট্রাইকারদের একজন ইয়োকেরেস। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে কভেন্ট্রি সিটি থেকে স্পোর্তিংয়ে যোগ দেওয়ার পর ক্লাবটির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১০২ ম্যাচে ৯৭ গোল করেছেন তিনি।
