ইংলিশ ফুটবল
Published : 29 May 2025, 04:08 PM
রেয়াল বেতিসের বিপক্ষে কনফারেন্স লিগের ফাইনালে গোল পাননি কোল পালমার। কিন্তু সৃষ্টিশীলতা ও আগ্রাসন মিলিয়ে অসাধারণ খেলে তিনিই চেলসির জয়ের নায়ক ও ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়। চোখধাঁধানো পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে এখন স্তুতির জোয়ারে ভাসছেন তরুণ এই উইঙ্গার।
শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বুধবার বেতিসকে ৪-১ গোলে হারায় চেলসি। প্রথম ক্লাব হিসেবে গড়ে ইউরোপের শীর্ষ চার টুর্নামেন্টের সবকটিই জয়ের কীর্তি।
স্কোরলাইন দেখে অবশ্য ম্যাচের পুরো চিত্র অনুমান করা কঠিন। নবম মিনিটে গোল হজম করে ৬৫তম মিনিটের আগ পর্যন্ত পিছিয়ে ছিল চেলসি। হারের শঙ্কা ধীরে ধীরে জেঁকে ধরছিল তাদের। সেই সময় যেন ত্রাতা হয়ে গেলেন পালমার। দলের প্রথম দুই গোলেই রাখলেন অবদান।
৬৫তম মিনিটে এন্সো ফের্নান্দেসের গোলে সমতায় ফেরে চেলসি। মিনিট পাঁচেক পর দলকে এগিয়ে নেন নিকোলাস জনসন। এরপর ৮৩তম মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ান জ্যাডন স্যানচো। যোগ করা সময়ে মোইসেস কাইসেদোর গোল আরও বাড়িয়ে দেয় চেলসির জয়ের আনন্দ।
টিএনটি স্পোর্টসে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া পালমারের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন চেলসির সাবেক উইঙ্গার জো কোল।
“কোল পালমার সত্যিকারের জিনিয়াস…সে একাই ম্যাচের পুরো নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং সে যা করেছে, এমন কিছু করার মতো বিশ্ব ফুটবলে খুব বেশি খেলোয়াড় নেই।”
চেলসির সাবেক ফুটবলার মার্ক শোয়ার্জার বিবিসি রেডিও ফাইভে বলেন, বয়সে তরুণ হলেও পারফরম্যান্সে বেশ পরিণত ২৩ বছর বয়সী পালমার।
“কোল পালমার নিজেকে মেলে ধরেছে এবং এটাই ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। পালমার তরুণ খেলোয়াড়, কিন্তু তার মধ্যে অদ্ভুত একটা পরিণত ভাব রয়েছে। এই দলকে সে পথ দেখিয়েছে এবং দ্বিতীয়ার্ধে খেলা নিয়ন্ত্রণ করেছে।”
পালমারের দুর্দান্ত দুটি অ্যাসিস্টে বিস্মিত ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেডের ফরোয়ার্ড মিখাইল আন্টোনিও।
“ম্যাচ তো চেলসি হেরেই যাচ্ছিল যতক্ষণ না কোল পালমার ঘুরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল…দুটি অবিশ্বাস্য বল, দুটি অবিশ্বাস্য গোল, কী দুর্দান্ত খেলোয়াড়।”