ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি, ৮ ফার্মেসিকে জরিমানা
নাটোরে এ অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
নাটোরের লালপুর উপজেলায় গরিবদের জন্য ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে আট ফার্মেসিকে এক লাখ ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
শনিবার সকালে উপজেলার গোপালপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নাটোর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মেহেদি হাসান তানভীর।
জরিমানা আদায়ের পাশাপাশি জব্দ করা ওষুধ পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
মেহেদি বলেন, গোপন খবর পেয়ে গোপালপুর বাজার এলাকার বিভিন্ন ফার্মেসিতে বিক্রয় নিষিদ্ধ ফিজিশিয়ান স্যাম্পল এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া যায়।
পরে মেসার্স ভাই ভাই ফার্মেসির মালিক মো. রুমন ইসলামকে ২০ হাজার টাকা, মেডি ফার্মার চন্দন পাঠককে ২০ হাজার, জামিল ফার্মেসির মো. জামিল হোসেনকে ৩০ হাজার, খন্দকার ফার্মেসির মো. শিমুলকে ২০ হাজার, মা মেডিসিন কর্নারের মো. তানভীর আহমেদকে ২০ হাজার, মেসার্স রাসেল ফার্মেসির মো. রাসেলকে আট হাজার টাকা, খান মেডিকেল স্টোরের মো. মওসুম আলম খানকে ১০ হাজার টাকা এবং শামীম ফার্মেসির মালিক মো. শামীমকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
জরিমানার মোট এক লাখ ৩৩ হাজার টাকা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ভোক্তা অধিকারের মেহেদি বলেন, যেকোনো খাবার মেয়াদোত্তীর্ণ হলে সেটা খাওয়া ঠিক নয়, স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। সেখানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ শরীরের জন্য আরও ঝুঁকিপূর্ণ। ওষুধ কোম্পানিগুলো তাদের প্রতিনিধিদের দিয়ে চিকিৎসকের মাধ্যমে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল গরীব, অসহায় ও দুস্থ মানুষেরদের বিনামূল্যে দেওয়া জন্য দিয়ে থাকেন।
কিন্তু কিছু অসাধু প্রতিনিধি সেগুলো ওষুধের দোকানে বিক্রি করে দেন। পরে ফার্মেসি মালিকরা সেগুলোতে দাম বসিয়ে বিক্রি করেন; যা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।
জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান ভোক্তা অধিদপ্তরের এ কর্মকর্তা।
