সিলেটে শিশু ধর্ষণের ১৯ বছর পর আসামির যাবজ্জীবন
২০০৭ সালের ৫ নভেম্বর রাতে বালাগঞ্জ সদর হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডে ১০ বছর বয়সি শিশুকে ধর্ষণ করা হয়।
সিলেটে দশ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনার ১৯ বছর পর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট জেলা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক রুবাইয়া ইয়াসমিন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) মোস্তাক আহমদ জানিয়েছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত সুমেল খা (৪১) সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার গোপকান গ্রামের তইমুজ খার ছেলে। ঘটনার সময় তার বয়স ছিল ২২ বছর।
মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে পিপি মোস্তাক আহমদ বলেন, “২০০৭ সালের ৫ নভেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে বালাগঞ্জ সদর হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার ১৩ নম্বর মহিলা ওয়ার্ডে ১০ বছর বয়সি শিশুকে ধর্ষণ করা হয়।
“এই ঘটনায় ৬ নভেম্বর শিশুটির চাচা বাদী হয়ে বালাগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানার আদেশ দেন।’’
পিপি বলেন, “আদালত আসামিকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।’’
মামলার রায়ে বলা হয়েছে, জরিমানার পুরো অর্থ ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে হবে। আসামি অর্থ পরিশোধ না করলে তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে ক্ষতিপূরণের অর্থ আদায়ের জন্য সিলেটের জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বর্তমান সম্পদ থেকে অর্থ আদায় সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে আসামির অর্জিত সম্পদ থেকেও তা আদায় করা যাবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি।
