গোপালগঞ্জে শিশু হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন
২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজের দুই দিন পর ভাড়াটিয়ার ঘর থেকে মুহিনের লাশ উদ্ধার করা হয়।
গোপালগঞ্জ সদরে ১২ বছরের এক শিশুকে হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ ছাড়া মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন একজন।
বুধবার দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ মোহাম্মদ মোরশেদ আলম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) তৌফিকুল ইসলাম।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়ারা হলেন- সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের শিহাব মোল্লা এবং শিশুটির বাড়ির ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া শাওন মোল্লা একই এলাকার বাসিন্দা। তবে তিনি পলাতক রয়েছে। খালাস পেয়েছেন লেয়াকত আলী মোল্লা।
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
নিখোঁজের দুই দিন পর ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় মানজুরুল ইসলাম চারজনকে আসামি করে মামলা করেন।
সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয় বলে জানান পিপি তৌফিকুল ইসলাম।
রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামিপক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন। আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী এম জুলকদর রহমান।
