এইচএসসি: গাজীপুরে সরকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বেসরকারির ফল ভালো
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, “বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহিতা আছে; কিন্তু সরকারি প্রতিষ্ঠানে এর অভাব রয়েছে।”
রোববার প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গাজীপুরের সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তুলনায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আছে।
গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজে ৯৩২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৭১৪ জন, পাসের হার ৭৪.৬১%; জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন।
টঙ্গী সরকারি কলেজে ৭৮৭ জনের মধ্যে ৬৫৫ জন পাস করেছে, পাসের হার ৮৩.২৩%; জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৫ জন।
গাজীপুর সরকারি মহিলা কলেজে ১ হাজার ১৪৮ জনের মধ্যে পাস করেছে ১০০৮ জন, পাসের হার ৮৭.৮০%; জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০১ জন।
শ্রীপুর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী সরকারি কলেজে ৫১২ জনের মধ্যে পাস করেছে ২৯৪ জন, পাসের হার ৫২.৪২%; জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
কাপাসিয়ার শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরকারি কলেজে ৪৩৫ জনের মধ্যে পাস করেছে ২৮২ জন, পাসের হার ৬৪.৮৩%; কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।
কালিয়াকৈরের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজে ৬১৭ জনের মধ্যে পাস করেছে ৪২৪ জন, পাসের হার ৬৮.৭২%; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন।
কালীগঞ্জ সরকারি শ্রমিক কলেজে ৭১৯ জনের মধ্যে পাস করেছে ৪০২ জন, পাসের হার ৫৫.৯১%; জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
অপরদিকে, গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট কলেজে ৮১২ জনের মধ্যে পাস করেছে ৮০৭ জন, পাসের হার ৯৯.৩৮%; জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮১ জন।
রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজে ৩৪৬ জনের মধ্যে পাস করেছে ৩৪৪ জন, পাসের হার ৯৯.৪২%; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৪ জন।
টঙ্গীর সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি অ্যান্ড কলেজে ৭০৩ জনের মধ্যে পাস করেছে ৬৫৪ জন, পাসের হার ৯৩.০৩%; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৪।
গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১১৬ জনের মধ্যে পাস করেছে ১১৫ জন, পাসের হার ৯৯.১৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ জন।
শ্রীপুর আবেদ আলী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৩১ জনের মধ্যে পাস করেছে ৩১ জন, পাসের হার ১০০%; জিপিএ-৫ পেয়েছে-১ জন।
ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার আনসার ভিডিপি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৩১২ জনের মধ্যে পাস করেছে ২৯১ জন, পাসের হার ৯৩.২৭%; জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৩ জন।
মিছির আলী খান মেমোরিয়াল কলেজে ২৪৬ জনের মধ্যে পাস করেছে ২৪১ জন, পাসের হার ৯৭.৯৭%; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন।
কাপাসিয়ার বর্ণমালা কলেজে ১৭৭ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৬০ জন, পাসের হার ৯০.৪০%; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন।
গাজীপুর শ্রীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নুরুল আমিন বলেন, “বেসরকারি কলেজে নিয়মিত ক্লাস, পরীক্ষা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মনিটরিং করা হয়। তারা একটা জবাবদিহিতার মধ্যে থাকে। কিন্তু সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এর অভাব রয়েছে। তাই সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফলাফল খারাপ হচ্ছে।”
