১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

শেষ হল কিশোরগঞ্জে ‘আলপনায় বৈশাখ ১৪৩১’ উৎসব

“বিশ্বের দীর্ঘতম আলপনার কারণে অলওয়দার সড়কসহ পুরো হাওর এলাকার সুখ্যাতি সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে।”

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 14 Apr 2024, 07:43 PM

Updated : 14 Apr 2024, 07:54 PM

বাংলার সংস্কৃতিকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকায় তিনদিনের আলপনা উৎসব শেষ হয়েছে।

হাওর উপজেলা মিঠামইনের জিরো পয়েন্ট থেকে অষ্টগ্রাম পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার ‘অলওয়েদার’ সড়কে বাঙালি ঐতিহ্যের এ আলপনা আঁকা হয়েছে। এ আয়োজনের নাম রাখা হয়েছে-‘আলপনায় বৈশাখ-১৪৩১ উৎসব’।

এশিয়াটিক এক্সপেরিয়েনশিয়াল মার্কেটিং লিমিটেড, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড ও বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে শুক্রবার বিকালে আলপনা আঁকার কাজ শুরু হয়।

রোববার পহেলা বৈশাখের দিন বেলা পৌনে ১১টায় মিঠামইন জিরো পয়েন্টে উৎসবের সমাপ্তি ঘোষণা করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। শেষ দিনের এ কর্মযজ্ঞে আলপনায় তুলির শেষ আঁচড় দেন তিনি।

পরে সাংবাদিকদের পলক বলেন, “এক সময় হাওর এলাকা অবহেলিত ছিল। বিশ্বের দীর্ঘতম আলপনার কারণে অলওয়দার সড়কসহ পুরো হাওর এলাকার সুখ্যাতি সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে।

“হাওর এলাকার প্রতি মানুষকে আরও আকৃষ্ট করবে। এর ফলে হাওর এলাকায় পর্যটক সংখ্যা আরও বাড়বে।”

উৎসবের সমাপনী দিনের আয়োজনে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান ও এশিয়াটিক এক্সপেরিয়েনশিয়াল মার্কেটিং লিমিটেডের এসোসিয়েটস এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নাফিউল হক উপস্থিত ছিলেন।

সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক বলেন, “কিছুদিন আগে ডেকেও কাউকে হাওর এলাকায় আনা যায়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে এখন হাওর এলাকাও স্মার্ট হয়ে উঠেছে। এ এলাকার মানুষের জীবন যাত্রার আমূল পরিবর্তন হয়েছে।

পুরানো খবর:

হাওরের সেই দৃষ্টিনন্দন সড়কে বৈশাখের আলপনা

“আলপনার কারণে সারা বিশ্বের মানুষ হাওরকে চিনবে। আলপনা দেখতে আসবে অনেক মানুষ।”

বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন,“এ কাজ করতে পেরে বাংলালিংক পরিবার গর্বিত। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হবে।”

মোট সাড়ে ছয়শ শিল্পী দিনরাত পরিশ্রম করে ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এ আলপনা আঁকার কাজ শেষ করেছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।