Published : 25 Apr 2023, 08:11 PM
হেফাজতে ইসলাম নেতা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলায় আরও দুজন সাক্ষ্য দিয়েছেন।
মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামল তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি পিপি রকিবউদ্দিন আহমেদ জানান।
তিনি জানান, সোনারগাঁ থানার তৎকালীন এসআই এজাজুল হক ও মামলার বাদীর ভাড়া বাড়ির মালিক মোশারফ হোসেন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
২০২১ সালের ৩ এপ্রিল বিকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার রয়্যাল রিসোর্টের একটি কক্ষে এক নারীর সঙ্গে অবরুদ্ধ হন মামুনুল হক। এই ঘটনার পর ৩০ এপ্রিল ওই নারী সোনারগাঁ থানায় ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা করেন।
এর আগে ১৮ এপ্রিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করে। একই বছরের ৩ নভেম্বর এই ধর্ষণ মামলায় অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয় পুলিশ।
বিচারাধীন এই মামলায় এখন পর্যন্ত ২০ জনের সাক্ষ্য আদালত গ্রহণ করেছে জানিয়ে পিপি রকিবউদ্দিন বলেন, বাদীর অভিযোগ, সোনারগাঁয়ের রয়্যাল রিসোর্টে নিয়ে মামুনুল হক বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাদীকে ধর্ষণ করেছেন। এই মামলায় বাদী, তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ২০ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।
তবে মামুনুল হককে ‘মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে’ দাবি করে তার আইনজীবী ওমর ফারুক নয়ন বলেন, একজন সাক্ষীর সাথে অন্য সাক্ষীর দেওয়া তথ্যে মিল নেই। এটি একটি সাজানো ও পাতানো মামলা। মামলার বাদী মামুনুল হকের শরীয়ত মোতাবেক বিয়ে করা দ্বিতীয় স্ত্রী। বাদীকে প্রভাবিত করে তৃতীয় একটি পক্ষ তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করিয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে মামুনুল হককে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতে আনা হয়। এই সময় আদালতপাড়ায় মামুনুল হকের অনুসারীদের উপস্থিতি দেখা যায়। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে দুপুরে পুনরায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন: