নেত্রকোণায় স্কুলছাত্রী মুক্তি হত্যায় কাউসারের জবানবন্দি
পুলিশ জানিয়েছে, জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার পর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন।
নেত্রকোণার বারহাট্টায় স্কুলছাত্রী মুক্তি রানী বর্মণকে কুপিয়ে হত্যার মামলায় আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
গ্রেপ্তারের একদিন পর বৃহস্পতিবার বিকালে একমাত্র আসামি কাউসার মিয়াকে বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করে জবানবন্দির জন্য আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
পরে বিচারক মো. মঞ্জুরুল ইসলামের খাস কামরায় বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত কাউসার জবানবন্দি দেন বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা বারহাট্টা থানার এসআই আবু সায়েম মো. আব্দুর রহমান।
তিনি আরও জানান, জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার পর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন।
এদিকে এ ঘটনায় জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য আসামিকে আইনি সহায়তা দেবে না বলে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সমিতির সদস্য মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, “মামলার বিচারের ক্ষেত্রে আমরা বাদীপক্ষকে নিজ থেকেই সহায়তা দিয়ে যাব।”
মুক্তি রাণী বর্মন (১৬) উপজেলার বাউসী ইউনিয়নের প্রেমনগর ছালিপুরা গ্রামের নিখিল বর্মনের মেয়ে ও প্রেমনগর ছালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
মঙ্গলবার বিদ্যালয় ছুটির পর দুই বান্ধবীর সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে কাউছার মিয়ার (১৯) অস্ত্রের আঘাতে মুক্তি আহত হয়। বিকালে হাসপাতালের পথে তার মৃত্যু হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। বুধবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে কাউসার মিয়াকে।
পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার বিকালে মুক্তির মরদেহ তার স্কুল প্রাঙ্গণে এবং পরে বাড়িতে নেওয়া হয়। রাতে তাকে দাহ করা হয়।
আরও পড়ুন:
