Published : 29 Jul 2025, 03:51 PM
গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি পাইপ কারখানায় ডাকাতির সময় ছয়জনকে পিটুনি দিয়েছেন এলাকাবাসী। পরে তাদের আটক করেছে পুলিশ।
তারা আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ। গুরুতর আহতদের শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার রাত ১১টার দিকে শ্রীপুরের বরমী ইউনিয়নের সাতখামাইর গ্রামের মাওনা-বরমী সড়কের ‘পিপিএস পাইপ অ্যান্ড প্লাস্টিক’ কারখানায় এ ঘটনা ঘটে বলে শ্রীপুর থানার ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক জানান।
আটকরা হলেন, ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলার বাঘটিয়া গ্রামের মো. ইদ্রিস আলীর ছেলে মো. সোহেল মিয়া (৩২), একই জেলার তারাকান্দা উপজেলার মো. ইসমাঈল হোসেনের ছেলে মো. এমদাদুল হক (৪৫), বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলার কামুলা গ্রামের সোহরাবের ছেলে মো. ফারুক (৩২), নওগাঁ জেলার রাণীনগর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের মো. আলমের ছেলে আরিফ (৩০), নরসিংদী জেলার মাধবদী উপজেলার বালুর মাঠ এলাকার শাহ্ আলমের ছেলে সীমান্ত (২১) ও চাঁদপুর জেলার মতলবপুর গ্রামের গোদা মোল্লার ছেলে ইব্রাহিম (২৩)।
কারাখানার তিনতলায় থাকেন ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের কর্মকর্তা মো. আব্দুস ছালাম।

তিনি বলেন, “কারখানাটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ আছে। সোমবার রাতে কারখানার সীমানা প্রাচীর টপকে কয়েকজন প্রবেশ করে নিরাপত্তা প্রহরীকে হাত-পা বেঁধে মারধর করে। তিনি কারখানা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের বিষয়টি জানান।
“পলে স্থানীয়রা আসলে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ এসে স্থানীয়দের নিয়ে ধাওয়া করে ছয় ডাকাতকে আটক করতে পারে।”
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আজগর হোসেন সোহাগ বলেন, “রাত ১২টার দিকে পুলিশ আহত ছয় ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। চার জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
“গুরুতর আহত দুই ডাকাত সদস্য সোহেল ও এমদাদুলকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।”
ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, “দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা কারখানাটিতে ডাকাতরা যন্ত্রপাতি লুটপাট করতে এসেছিল। খবর পেয়ে পুলিশের একাধিক টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ডাকাতদল পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
“এ সময় পুলিশ স্থানীয় জনতার সহায়তায় ধাওয়া করে ছয় ডাকাতকে আটক করে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।”
তারা আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য বলে এ পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।