Published : 02 Jul 2025, 12:18 PM
মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে ব্রহ্মপুত্র নদে নৌকা ডুবে নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ প্রায় ২২ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে।
এ নিয়ে নৌকাডুবিতে নিখোঁজ তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হল।
বুধবার সকাল ৭টার দিকে ময়মনসিংহের পাগলা টাংগাব ইউনিয়নের বাঁশিয়া এলাকায় নদ থেকে স্বজনরা তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তারা হল- পাকুন্দিয়া উপজেলার চরআলগী এলাকার বাসিন্দা হাবিব মিয়ার ছেলে আবির (৭) এবং মুমতাজ উদ্দিনের ছেলে জুবায়েদ (৬)।
তারা বিরুই নদীর পাড় দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন:
ব্রহ্মপুত্রে নৌকাডুবি: ১ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ২
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা বলেন, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চরআলগী এলাকা থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ পাড়ি দিয়ে মাদ্রাসায় যেতে ছোট একটি নৌকায় ওঠে নয় শিক্ষার্থী।

পথে ময়মনসিংহের পাগলা থানার দত্তের বাজার সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছানোর আগেই নৌকাটি ডুবে যায়। তাদের মধ্যে ছয় জন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও ডুবে যায় তিন শিক্ষার্থী।
তাদের মধ্যে মঙ্গলবার দুপুরে শাপলা আক্তারের (১৫) মরদেহ ঘটনাস্থলের খানিকটা দূর থেকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
শাপলা পাকুন্দিয়া উপজেলার চর আলগী গ্রামের মাইনুদ্দিনের মেয়ে।
ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান বলেন, “ভোরে আবির ও জুবায়েদের স্বজনরা নৌকা নিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে তাদের খুঁজতে বের হয়। এক পর্যায়ে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে টাংগাব ইউনিয়নের বাঁশিয়া এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদে দুজনের মরদেহ ভাসতে দেখে তারা তা উদ্ধার করে।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গফরগাঁওয়ের পাগলা থানার ওসি ফেরদৌস আলম বলেন, মঙ্গলবার এক শিশুর লাশ ও বুধবার দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার উদ্ধার হওয়া মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আর বুধবার উদ্ধার হওয়া দুই শিশুর লাশ আইনি প্রক্রিয়া শেষে হস্তান্তর করা হয়েছে।