Published : 04 Aug 2025, 05:32 PM
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের পরিবহনে ৭৫ আসন বিশিষ্ট তিনটি দ্বিতল বাস যুক্ত হয়েছে। এতে পরিবহন সংকট অনেকটা লাঘব হবে বলে ভাষ্য কর্তৃপক্ষের।
সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-১ এর সামনে এসব বাস উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক এ এম সরওয়াউদ্দিন চৌধুরী।
উপাচার্য বলেন, “শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল যাতায়াত সমস্যা সমাধান করা। বর্তমানে এই তিনটি দ্বিতল বাসের যাত্রা শুরু হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সমস্যার সমাধান হবে।”
এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ক্যাম্পাস থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক পর্যন্ত আরও দুটি শাটল বাস চালু করার কথা জানান উপাচার্য।
এ সময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সাজেদুল করিম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ইসমাইল হোসেন, পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক আ ফ ম জাকারিয়া ও বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ইসমাঈল হোসেন বলেন, “ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত বাস না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীরা কষ্ট করে ক্যাম্পাসে যাওয়া আসা করছে। অনেকে বাসে জায়গা না পেয়ে পাবলিক পরিবহনে যাতায়াত করছে। ফলে অর্থ ব্যয়সহ বিভিন্ন ঝুঁকি বেড়ে গেছে।

“শিক্ষার্থীদের সমস্যা বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বাস ক্রয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (বিমক) সঙ্গে যোগাযোগ করে। তারই অংশ হিসেবে নতুন বাস না আসা পর্যন্ত বিআরটিসি-৩৯ বাস ভাড়া করার অনুমোদন দিয়েছে। আশা করছি নতুন এই বাসের যাত্রায় শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সংকট লাঘব হবে।”
এর আগে ১ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমান স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তিনটি বাসের অনুমোদন দেওয়া হয়।
বাসের চুক্তি শর্তে বলা হয়েছে, বাস ভাড়ার ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট ২০০৬ ও রুলস ২০০৮ (পিপিএ) অনুসরণ করতে হবে। এ ছাড়া ভাড়া চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর তা দ্রুত কমিশনে জমা দিতে হবে এবং সরকার নির্ধারিত হারে আয়করসহ প্রযোজ্য অন্য কর কেটে ভাড়া পরিশোধ করতে হবে।
সেইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যখন বাস ক্রয় করবে, তখনই ভাড়ায় নেওয়া সমসংখ্যক বাসের চুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে।