রংপুর মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড, হতহতের ঘটনা ঘটেনি

সকালে আল্ট্রাসনোগ্রাম, এমআরআই ও ইসিজি কক্ষ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়; ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আধা ঘণ্টায় আগুন নেভায়।

রংপুর প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 13 Sept 2022, 05:15 PM
Updated : 13 Sept 2022, 05:15 PM

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালের আল্ট্রাসনোগ্রাম, এমআরআই ও ইসিজি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে বলে ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়।

বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, সকালে হাসপাতালের নিচতলার আল্ট্রাসনোগ্রাম, এমআরআই ও ইসিজি কক্ষ থেকে হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখেন কর্মচারীরা। ভেতরে আগুন ছড়িয়েছে সন্দেহে তারা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। এরই মধ্যে কয়েকজন কর্মচারী কক্ষের দরজায় লাগানো তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে বৈদ্যুতিক সার্কিটের সুইচ বন্ধ করে দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এসে আধা ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিভিয়ে ফেলে।

তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা যায়নি।

হাসপাতালের লিফটম্যান রফিকুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “হঠাৎ করে এমআরআই কক্ষ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখি। তখন অনেকেই ছোটোছুটি শুরু করেন। পরে আমরা কয়েকজন মিলে ওই কক্ষের দরজায় থাকা তালাটি হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে ভেতরে ঢুকে বিদ্যুতের মেইন সুইচ বন্ধ করে দেই। এরপরই আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন সেখানে উপস্থিত হয়।”

হাসপাতালে দায়িত্বরত আনসার সদস্য সেলিম মিয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে  বলেন, “আমি গেটের সামনে দায়িত্ব পালন করছিলাম। হঠাৎ দেখি লোকজন ভয়ে ছোটাছুটি করছে। পরে জানতে পারি এমআরআই কক্ষে আগুন লেগেছে। আমি সেখান থেকে দৌড়ে ভেতরে এসে দেখি ধোঁয়ায় চারপাশ অন্ধকার। পরে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রটি নিয়ে কক্ষের ভেতরে ঢুকে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি।”

পরে এমআরআইসহ আল্ট্রাসনোগ্রাম ও ইসিজি কক্ষে যতগুলো অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র হাতের কাছে পান তা দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন বলে জানান তিনি।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. শরিফুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ওই ভবনটি অনেক পুরোনো এবং বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এ কারণে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক