Published : 07 Jan 2026, 03:38 PM
গোপালগঞ্জের উপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত আছে।
বুধবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে বলে গোপালগঞ্জ জেলা আবহাওয়া কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবু সুফিয়ান জানান।
আরো কয়েকদিন শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকার আভাস দিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

বেশ কয়েকদিন পর দুপুর ১টার পর জেলায় সূর্যের দেখা মিলেছে। এতে জনজীবনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। হাট-বাজারে গত কয়েকদিনের তুলনায় জনসমাগমও বেড়েছে।
২৫ ডিসেম্বর থেকে উত্তরে হিমেল হওয়ার সঙ্গে কুয়াশার কারণে জেলায় তীব্র শীত অনুভূত হয়ে আসছে। তাপমাত্রা যখন ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামে তখন থেকেই হাড় কাঁপানো শীত জেঁকে বসে।
এই কদিন একান্ত প্রয়োজন ছাড়া মানুষ বাড়িঘর থেকে বের হয়নি। কৃষিকাজ ব্যাহত হয়েছে। দিনমজুর ও ছিন্নমূল মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের মধ্যে পড়ে। শিশু ও বৃদ্ধরা শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
আবহাওয়া কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান বলেন, “সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ মৌসুমে এটিই জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এর আগে ৩১ ডিসেম্বর সাড়ে সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল।

“আজ ভোরে বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। মাঝারি ধরনের কুয়াশায় দৃষ্টি সীমা ছিল ৪০০ মিটার। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় এক কিলোমিটার।”
ওই কর্মকর্তা বলেন, “এটিকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। এটি কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে।”
গোপালগঞ্জ আড়াইশ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্ববধায়ক জীবিতেষ বিশ্বাস বলেন, “মারাত্মক শীতে শিশু ও বৃদ্ধরা নিউমোনিয়া, সর্দি, কাশিসহ শীতজনিত জটিলতায় আক্রান্ত হচ্ছে।
শিশু-বৃদ্ধদের ঘরের বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে চিকিৎসক বলেন, সবসময় গরম কাপড় পরিধান এবং কুসুম গরম পানিতে গোসল করতে হবে।