Published : 23 Sep 2025, 08:25 PM
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার পদ্মা নদীর প্রবেশ মুখের চারটি ইউনিয়নের ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের নামোজগন্নাথপুর ফিল্ডের বাজারে ‘নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার’ এর ব্যানারে মানববন্ধন থেকে এই দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন দুর্লভপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম আজম, মোশারফ হোসেন, এম মজিবুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, মাহবুব আলম, আজমল হোসেন, জালাল উদ্দিন, আফতাব উদ্দিন, আব্দুল বারী, ইকবাল হোসেন।
বক্তারা বলেন, পদ্মা নদীর প্রবেশ মুখে দুর্লভপুর, পাঁকা, উজিরপুর ও মনাকষা ইউনিয়ন রয়েছে। সেখানকার চার শতাধিক বসতবাড়ি, পনেরটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাঁচটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চারটি মাদ্রাসা, অর্ধশত মসজিদ, পাঁচটি কবরস্থান, পনের হাজার একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বাকিটুকুও বিলীন হওয়ার পথে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ দিন সরকারের বিভিন্ন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
তারা বলেন, ভাঙন প্রতিরোধে পাউবো কিছু জায়গায় বালির বস্তা ফেলেছে, এতে কোনো লাভ হয় না। স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ না হলে; নদী ভাঙন রোধ সম্ভব হবে না। এই মুহূর্তে জরুরি ভিত্তিতে নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করতে হবে।
এ বিষয়ে পাউবো চাঁপাইনবাবগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবীব বলেন, চলতি মৌসুমে নদী ভাঙনের ভয়াবহতায় আশঙ্কার কথা জানিয়ে শিবগঞ্জের ছয় কিলোমিটারে দ্রুত বাঁধ নির্মাণের জন্য ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে কাজ শুরু হবে।
মানববন্ধন শেষে এলাকাবাসী শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজাহার আলীর কাছে স্মারকলিপি দেন।
এ সময় ইউএনও বলেন, “পদ্মার ভাঙন রোধ প্রকল্পের বিষয়টি একনেকে আলোচনা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। আশা করছি, শিগগির বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হবে।”