নওগাঁয় বাংলা ভাইয়ের ‘সহযোগী’ গ্রেপ্তার
নওগাঁর রানীনগর উপজেলা থেকে সন্দেহভাজন এক জেএমবি সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাকে বাংলা ভাইয়ের সহযোগী বলছে পুলিশ।
মঙ্গলবার ভোরে রানীনগরের সিম্বা গ্রামের বাড়ি থেকে খালিকুর রহমান বাবুকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের কছিমউদ্দিনের ছেলে।
এর আগে গত ১৫ জুন এ জেলা থেকে বাংলা ভাইয়ের ‘আরেক সহযোগী’ খায়রুল আলম মন্টুকে (৫৫) গ্রেপ্তার করা হয়। মন্টু রানীনগর উপজেলার বড়গাছা গ্রামের মৃত শামছুর রহমানের ছেলে।
রানীনগর থানার ওসি আব্দুল লতিফ খান বলেন, জেএমবির সক্রিয় সদস্য বাবুর সাম্প্রতিক গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় এবং নাশকতায় জড়িত থাকতে পারে সন্দেহে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
“বাবু রানীনগর উপজেলার যুবলীগ নেতা খেজুর হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি এবং তিনি তৎকালীন জেএমবির শীর্ষ নেতা বাংলা ভাইয়ের সহযোগী ছিলেন।”
তার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান ওসি আব্দুল লতিফ খান।
সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলা ভাই ও তার সহযোগীরা ২০০৪ সালের ২০ মে নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলায় ইদ্রিস আলী ওরফে খেঁজুর আলী ও আব্দুল কাইয়ুম বাদশাকে হত্যা করে। পরে বাদশার মরদেহ উল্টো করে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়; খেঁজুর আলীকে টুকরো টুকরো করে লাশ পুঁতে ফেলা হয় মাটিতে।
গাছে লাশ ঝুলিয়ে রাখার সেই ছবি সংবাদমাধ্যমে এলে দেশজুড়ে রাতারাতি পরিচিত হয়ে ওঠে ‘বাংলা ভাই’ নামটি।
২০০৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সরকার জেএমবি ও জেএমজেবির কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করলে ওই বছর ১৭ অগাস্ট ৬৩ জেলায় একযোগে বোমা ফাটিয়ে নিজেদের শক্তির জানান দেয় সংগঠনটি।
ঝালকাঠি জেলার সিনিয়র সহকারী জজ সোহেল আহম্মেদ ও জগন্নাথ পাঁড়ের গাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে তাদের হত্যার দায়ে ২০০৭ সালের ৩০ মার্চ জেএমবির শীর্ষ নেতা শায়খ আব্দুর রহমান ও বাংলাভাইসহ ছয় জঙ্গির ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
