বাংলা ভাইয়ের ‘দেহরক্ষী’ গ্রেপ্তার
বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় জেএমবি সন্দেহে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের একজন নিষিদ্ধ ওই সংগঠনের তৎকালীন শীর্ষ নেতা বাংলা ভাইয়ের দেহরক্ষী বলে দাবি পুলিশের।
মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তাররা হলেন উপজেলার কর্ণিবাড়ী গ্রামের রাসেল ওরফে গিট্টু রাসেল (৩২), আবু বক্কর সিদ্দিক ও রিপন মিয়া।
গিট্টু রাসেল কর্ণিবাড়ী গ্রামের আফসার আলীর ছেলে।
এর আগে গত সোমবার ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থেকে গরীবুল্লাহ আকন্দ এবং বুধবার ভোরে নওগাঁর রানীনগর উপজেলা থেকে খায়রুল আলম মন্টুকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই দুইজনকেও ফাঁসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া জেএমবি নেতা সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলা ভাইয়ের সহযোগী বলেছে পুলিশ।
বগুড়ার জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার গাজীউর রহমান বলেন, মঙ্গলবার রাতে উপজেলার কর্ণিবাড়ী গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে রাসেল ওরফে গিট্টু রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাসেল জেএমবির একজন সক্রিয় নেতা এবং বাংলা ভাইয়ের দেহরক্ষী ছিল।
রাসেলকে এর আগে আরও দুইবার গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে জানান গাজীউর রহমান।
২০০৯ সালের ১৭ এপ্রিল রাসেলকে গ্রেপ্তার করার পর তৎকালীন গাবতলী থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন বলেছিলেন, “রাসেল জেলার তালিকাভুক্ত শীর্ষ জঙ্গিদের একজন। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।”
এর আগে ২০০৩ সালের ১৪ অগাস্ট জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে পুলিশের উপর সশস্ত্র হামলার ঘটনায় আরও কয়েকজনের সঙ্গে রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
রাসেল বাংলা ভাইয়ের দেহরক্ষী ছিলেন বলে বগুড়ার তৎকালীন পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবিরও নিশ্চিত করেছিলেন।
ঝালকাঠি জেলার সিনিয়র সহকারী জজ সোহেল আহম্মেদ ও জগন্নাথ পাঁড়ের গাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে তাদের হত্যার দায়ে ২০০৭ সালের ৩০ মার্চ জেএমবির শীর্ষ নেতা শায়খ আব্দুর রহমান ও বাংলাভাইসহ ছয় জঙ্গির ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
