Published : 18 May 2026, 05:14 PM
খুলনার কয়রা উপজেলায় সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে এক ওষুধ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়ছে। হামলায় আহত হয়েছেন তার স্ত্রী।
রোববার রাত আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের মহেশ্বরীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে কয়রা থানার ওসি মো. শাহ আলম জানান।
নিহত ৪০ বছর বয়সী ভবতোষ মৃধা ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের যশো মৃধার ছেলে। তিনি স্থানীয় গিলাবাড়ি বাজারে একটি ওষুধের দোকান চালাতেন।
কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা সুজিত কুমার বৈদ্য বলেন, “রাত সাড়ে ৩টার দিকে ভবতোষ মৃধাকে হাসপাতালে আনা হয়। তকে আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল।”
তিনি বলেন, “ভবতোষের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল। তার গলায় বড় ধরনের কোপ এবং বুকের মাঝখানে গভীর আঘাত পাওয়া গেছে।”

ভবতোষের স্ত্রী বিভা মৃধা বলেন, রাত দেড়টা থেকে দুইটার মধ্যে হামলার ঘটনাটি ঘটে।
এ সময় হামলাকারীদের মধ্যে গফুর নামের একজনকে তিনি চিনতে পেরেছেন বলে দাবি করেন।
বিভা বলেন, “জমিজমা সংক্রান্ত পূর্বশত্রুতার জের ধরেই এ হামলা হয়ে থাকতে পারে।”
ভবতোষের মা আশুলতা মৃধা বলেন, “আমি পাশের ঘরে নাতনিকে নিয়ে ছিলাম। হঠাৎ বৌমার কান্না শুনে গিয়ে দেখি, আমার খোকা রক্তে ভেসে পড়ে আছে।
“মাটি কেটে ঘরে ঢুকে আমার ছেলেকে মেরে গেল, অথচ কিছুই টের পাইনি।”
ওসি শাহ আলম বলেন, “ঘরের সিঁধ কেটে ভেতরে ঢুকে একজনকে হত্যা করা হয়েছে। তার স্ত্রীও আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং তদন্ত শুরু করে।”
তিনি বলেন, “প্রাথমিকভাবে এটি চুরি বা ডাকাতির ঘটনা বলে মনে হচ্ছে না। ঘর থেকে কোনো মূল্যবান জিনিস খোয়া যায়নি। পূর্বশত্রুতা বা ব্যক্তিগত বিরোধের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”